সময় কলকাতা ডেস্কঃ স্কুলের মিড ডে মিল সংক্রান্ত সমস্যার জেরে স্কুল কমিটির সভাপতির সঙ্গে বচসা শুরু হয় এলাকাবাসীর। জনসমক্ষে পঞ্চায়েত সদস্য তথা স্কুল কমিটির সভাপতির গালে সপাটে চড় কষালেন এক ব্যক্তি। ঘটনার জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানার হরিপুর উত্তর নেতাজি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। উ পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উত্তর নেতাজি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে-মিলে দীর্ঘদিন ধরে কারচুপি করে চলেছে। অনেক সময় মিড ডে মিলে পোকাধরা চাল ও ডাল দেওয়া হয়।পাশাপাশি মিড-ডে-মিলের সামগ্রীও কম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ওই পরিচালন কমিটির বিরুদ্ধে। স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে ওই পরিচালন কমিটিকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং স্কুল কমিটির সভাপতি নিজেদের দায়িত্বে স্কুলের মিড ডে মিল চালিয়ে আসছেন।

শুক্রবার কিছু অভিভাবকদের কাছে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের তরফ থেকে খবর যায় তারা যেন স্কুলে এসে একটি স্বাক্ষর করে যান। কিন্তু অভিভাবকরা জানতে চান তাঁরা কেন এই স্বাক্ষর করবে? হঠাৎ করে অভিভাবকদের ডেকে স্বাক্ষর করানোর ঘটনাকে ঘিরে অভিভাবকদের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয় স্কুলের শিক্ষকদের। খবর পেয়ে স্কুলে আসেন ওই স্কুলেরই ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি লক্ষপতি মণ্ডল। স্কুলের পরিচালন কমিটির সভাপতির সঙ্গে ফের বচসা শুরু হয় এলাকাবাসীর।

অভিভাবক মনিরানী দাস বলেন, বচসার মধ্যেই স্কুলের পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য লক্ষপতি মণ্ডলের গালে সপাটে চড় মারে এলাকার বাসিন্দা মানস মন্ডল।এরপরেই এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পৌঁছায় নামখানা থানায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় নামখানা থানার পুলিশ।এই ঘটনায় পুলিশ আক্রমণকারী ও আক্রান্ত গ্রামের সদস্যকে থানায় নিয়ে যায়। তবে ওই এলাকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছু সময়ের জন্য ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় পুলিশ ।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!