Home » জলের জন‍্য হাহাকার চাঁচলের কদলায়,গরম এলেই জলের বদলে আসে শুধুই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি

জলের জন‍্য হাহাকার চাঁচলের কদলায়,গরম এলেই জলের বদলে আসে শুধুই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি

সময় কলকাতা ডেস্ক : “জলের অপর নাম জীবন”। জল বিনা প্রাণী কূলের অস্তিত্ব কোনো ভাবেই ভাবা যায় না। কিন্তু এই সভ্যতার যত উত্থান ঘটেছে প্রকৃতির উপর ততটাই যেন মানুষ নির্মম হয়ে উঠেছে। ফলস্বরূপ খরা, ঝড় ,জলের মতন বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে  এসেছে মনুষ্য সমাজে। গরম পড়লেই ভূগর্ভস্থ জলও কার্যত অমিল হয়ে পরে বহু জায়গায়। সেই চেনা ছবি এবার ভেসে উঠল মালদার চাঁচলের কদলা গ্রামে।গরম পড়তেই সেখানে দেখা দিয়েছে পানীয় জলের তীব্র সংকট। ফলস্বরূপ জলের হাহাকার গ্রামের ৫০টি পরিবারে। আর এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।

অন্যদিকে বিদ্যুৎ না থাকার ফলে সন্ধ্যা নামার পরেই চেনা অন্ধকার ঘিরে ধরে গোটা গ্রামকে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নেই কংক্রিটের রাস্তা, অন্যদিকে পানীয় জল বিদ্যুতের ব্যবস্থা কার্যত অমিল। এমত অবস্থায় কোনোরকমে দিন কাটছে কদলার গ্রামবাসীদের।

বাসিন্দাদের অভিযোগ বারংবার এ বিষয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত ব্লক প্রশাসনকে এ ব্যাপারে জানানোর পরেও কোন সমস্যার সমাধান হয়নি। ফলে কদলা গ্রামের বাসিন্দা প্রমীলা তুলসি রানী দাসের হুঁশিয়ারি এই সমস্যার সমাধান না হলে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট বয়কট করবেন তারা।
জলের চাহিদা মেটাতে এলাকায় একটি মাত্র টিউবওয়েল। গ্রীষ্মকালে জল স্বাভাবিকভাবেই  পাওয়া যায়না । ফলে কাপড় কাঁচা, স্নান ও পানীয় জলের জন‍্য এক ক্রোশ দূর তরলতলা থেকে জল বয়ে এনে চাহিদা মেটাতে হয় বলে জানালেন গ্রামের এক গৃহবধূ।

অন্যদিকে সমসয়মতো জল না পেয়ে শিশুদের শরীরে দেখা দিচ্ছে পুষ্টির অভাব । ফলে শিশুদের নিয়েও এক প্রকার চিন্তায় এলাকার বিভিন্ন অভিভাবকেরা।

 

তবে সমস্যার কথা শুনে তা সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চাঁচল বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নিহার রঞ্জন ঘোষ। তিনি বলেন তবে গত এক বছর হলো আমি এলাকার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছি। ওই এলাকার বাসিন্দারা আমার কাছে তেমন কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেন নি। সমস্যার কথা শুনে দ্রুত ওই এলাকার পানীয় জলের সমস্যা মেটানো হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি এলাকায় অবিলম্বে সাব মার্সিবল বসালে জল সমস‍্যার সুরাহা হবে। কিন্তু কবে সমস্যার  সমাধান হবে এলাকার বাসিন্দাদের, সেই দিকেই তাকিয়ে কদলী গ্রামের বাসিন্দারা।

About Post Author