সময় কলকাতা ডেস্কঃ আর পাঁচটা পুজোর সঙ্গে মিল নেই এই পুজোর।তাই এ এক অন্যপুজো। মূর্তি নয় ঠাকুরের স্থানে মানুষকেই দেবতা জ্ঞানে চলে পুজোপাঠ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন।কয়েকশ বছর ধরে বালুরঘাট শহরের খিদিরপুরে ব্যাপক ধুমধামের সঙ্গে এভাবেই পূজিত হয়ে আসছে গুদ্রি কালী ।শুধু পুজোই নয়,এই পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকায় বসে বিরাট মেলা যা গুদ্রি কালীমেলা নামেই পরিচিত। এই পুজো ও মেলার আনন্দে গা ভাসাতে অধীর আগ্রহে সারা বছর অপেক্ষার প্রহর গোনেন এলাকার বাসিন্দারা।

বালুরঘাট শহরের খিদিরপুর এলাকার এক দিনের গুদ্রি কালীপুজোকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা চরমে থাকে। প্রত্যেক বছর চৈত্র মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মঙ্গলবারে এই পুজো হয়।এই দিন কালী মায়ের স্থানে ভক্তরা স্নান সেরে মায়ের পুজোর ঘট বসিয়ে মাকে আহ্বান করেন। তারপরই দেবতার আসনে মানুষকে বসিয়ে শুরু হয় পুজো। চৈত্র মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মঙ্গলবার ঘট বসিয়ে পুজো শুরু হলেও তৃতীয় সপ্তাহের মঙ্গলবার এই পূজাকে ঘিরেই ওই এক দিবসীয় মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত,গ্রাম বাংলায় অসংখ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানান দেবদেবীর পুজোর কাহিনী আজও সমানভাবে ভক্তদের কাছে সমাদৃত ও পূজিত হয়ে আসছে।একইভাবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের খিদিরপুর এলাকার এই গুদ্রি কালী পুজো নিয়ে এলাকার মানুষেরা মেতে ওঠে।যেখানে কোনো দেবীর মূর্তি স্থাপন না করে ভগবনরূপে পুজো করা হয়ে থাকে রক্তে মাংসে গড়া মানুষকে।আর এই পুজোকে ঘিরেই খিদিরপুর এলাকায় ঢল নামে ভক্তদের।পাশাপাশি এই পুজোকে ঘিরে চলে গুদ্রি কালী মায়ের মেলাও।পুজো ও মেলা শেষে ভক্তরা পরের বছরের জন্য অপেক্ষায় থাকে।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?