Home » তপন কান্দু খুনে প্রত্যক্ষদর্শীর রহস্য মৃত্যু, কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠের মৃত্যুর তদন্তে সিবিআই

তপন কান্দু খুনে প্রত্যক্ষদর্শীর রহস্য মৃত্যু, কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠের মৃত্যুর তদন্তে সিবিআই

সময় কলকাতা ডেস্ক: ঝালদা পুরসভার নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের প্রত্যক্ষদর্শী শেফাল বৈষ্ণবের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। নিজের ঘর থেকে পেশায় গৃহশিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনার কথা জানাজানি হতেই শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ খেকে খবর পেয়ে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।পরিবারের দাবি, কাউন্সিলর তপন কান্দুর খুনের দিন তাঁর সঙ্গে শেফালও ছিলেন l ওই ঘটনার পর থেকেই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারবার তাকে থানায় ডেকে পাঠাত।তাঁদের অভিযোগ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সারা দিন তাঁকে থানায় বসিয়ে রাখাত পুলিশ।লাগাতার জেরা ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হত হল শেফালবাবুকে।

শেফাল বৈষ্ণবের দাদা নেপাল বৈষ্ণবের অভিযোগ ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের পর থেকেই পাওয়া যাচ্ছে না শেফালের মোবাইল ফোন।তপন কান্দু খুনের পর থেকেই পুলিশ এই মোবাইলেই শেফাল বৈষ্ণব সঙ্গে কথা বলত বলে জানাচ্ছে তাঁর পরিবার।

বুধবার সকালে মাঠ থেকে ঘুরে এসে গৃহ শিক্ষকতার ঘরে তাঁকে ঢুকতে দেখা গিয়ে ছিল শেফাল বৈষ্ণবকে। প্রতিবেশীদের দাবি, দীর্ঘক্ষণ ঘরের দরজা খুলছে না দেখেই পুলিশকে ডাকেন তাঁরা।পুলিশ শেফাল বৈষ্ণবের শুধু দেহই উদ্ধার করেনি।উদ্ধার হয়েছে একটি সুইসাইড নোটও।প্রতিবেশীদের দাবি, সেই সুইসাইড নোটে  মানসিক  নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন শেফাল।

তপন কান্দু খুনে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। মঙ্গলবার ত্রিশঙ্কু ঝালদা পুরসভার দখল নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। কালো ব্যাচ পরে মঙ্গলবার তপন কান্দুর বাড়ি থেকে মিছিল ও বের করে কংগ্রেস। সেই মিছিল ঝালদা পুরসভায় পৌঁছালে পুলিশ বাধা দেয়।পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে বুধবার কংগ্রেস বনধ পালন করছে। এরই মাঝে কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এই ঘটনায় জেলা জুড়ে ফের শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

About Post Author