Home » হনুমানের হানায় মর্মান্তিক মৃত্যু সত্তরোর্ধ্ব প্রৌঢ়ের!

হনুমানের হানায় মর্মান্তিক মৃত্যু সত্তরোর্ধ্ব প্রৌঢ়ের!

সময় কলকাতা ডেস্কঃ শেষমেশ কিনা হনুমানের হামলায় মানুষের মৃত্যু?হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন,এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকল বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানার লালপুর গ্রাম এলাকার মানুষেরা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়।মৃত ওই প্রৌঢ়ের নাম কানাইলাল কুন্ডু(৮২)।আকস্মিক এই ঘটনার পর থেকেই শোকের ছায়া এলাকায়।হাতির হানায় এলাকায় একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও হনুমানের হানায় এই প্রথম কারো মৃত্যু হল বলে জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,গত বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা নাগাদ লালপুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন কানাইলালবাবু।সেই সময়ই ঝগড়ারত দুটি হনুমানের মাঝে পড়ে যান তিনি।ওই সময় একটি হনুমান আচমকাই তাঁকে আক্রমণ করে।আক্রমণ এতটাই হিংসাত্মক হয়ে ওঠে যে হনুমানটি কানাইলাল বাবুরবাম পায়ে কামড় দেয়।গুরুতরভাবে আহত হন তিনি।কোনোক্রমে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই হনুমানদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে।এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়।

স্থানীয়রা তাঁকে তড়িঘড়ি অমরকানন গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পরেই স্থানীয় বাসিন্দারা বনদপ্তরের  মেজিয়া রেঞ্জে খবর দেন ।খবর পেয়ে  ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বন্দপ্তরের আধিকারিকরা।বহু অপেক্ষার পর ওই খুনি হনুমানকে তারা খাঁচা বন্দি করতে সক্ষম হন।

বনদপ্তর সুত্রে জানা গিয়েছে,বর্তমানে খাঁচাবন্দি অবস্থাতেই বন্দি রয়েছে ওই হনুমান।পাশাপাশি তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চলছে।তবে কবে বা কখন বন্দী হনুমানকে মুক্তি দেওয়া হবে তা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছুই জানাননি বনদপ্তর আধিকারিকরা।ইতিমধ্যেই মৃত ওই প্রৌঢ়ের পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বন্দপ্তর আধিকারিকরা।

About Post Author