জয়ন্ত দাস, বীরভূম, সময় কলকাতা : ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে’। আর বসন্ত মানেই রঙের উৎসব। বসন্ত উৎসবের কথা উঠলেই যে ছবি সবার আগে চোখের সামনে ভেসে ওঠে তা হল শান্তিনিকেতনের বসন্তোৎসব। দোল বা বসন্ত উৎসব মানেই হাজার হাজার বাঙালির ঠিকানা হয় বোলপুরের শান্তিনিকেতন। কবিগুরুর সুরে গেয়ে ওঠা, ‘ওরে গৃহবাসী খোল, দ্বার খোল, লাগল যে দোল’। এছাড়াও যে গান বেজে ওঠে তাহল, ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও যাও যাও গো এবার যাওয়ার আগে’।

পলাশের সমারোহ, কৃষ্ণচূড়া, রং আর আবিরে রঙিন হয়ে ওঠে রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন। কিন্তু ২০২০ সালের পর থেকে শান্তিনিকেতনে হয়নি বসন্ত উৎসব পালন। তাই এবার শান্তিনিকেতনে পালিত হতে চলেছে অকাল অকাল বসন্ত উৎসব।

২০২০ সালে শান্তিনিকেতনে শেষ মুহূর্তে করোনার অতিমারির কারণে শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয় বসন্ত উৎসব। তারপর থেকে হয়নি বসন্ত উৎসব। এবছর বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বসন্ত উৎসব করার চিন্তা-ভাবনা শুরু করলেও ছাত্র আন্দোলনের কারণে তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এবার পালিত হতে চলেছে শান্তিনিকেতনে অকাল বসন্ত উৎসব। বিশ্বভারতী সূত্রে খবর, এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে একটি দিনে শান্তিনিকেতনে করা হবে বসন্ত উৎসব। তার জন্য শান্তিনিকেতনের যে ভবনটি বসন্ত উৎসবের জন্য মুখিয়ে থাকে অর্থাৎ সঙ্গীত ভবনে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে গেল বসন্ত উৎসবের মহড়া।

‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল লাগলো যে দোল’ এই গানের মধ্যে দিয়েই শুরু হয়েছে শান্তিনিকেতনের সঙ্গীত ভবনে অকাল বসন্ত উৎসবের মহড়া। কবে, কোথায় হবে এই উৎসব, পর্যটকেরা প্রবেশ করতে পারবে কিনা সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি। শান্তিনিকেতনের এই অকাল বসন্তোৎসব রীতিমতো নজিরবিহীন বলে মনে করছেন শান্তিনিকেতনবাসী।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?