সময় কলকাতা ডেস্ক : শুক্রবার ভরসন্ধ্যায় গৃহবধূর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হল উত্তর চব্বিশ পরগনার পলতার একটি ভাড়াবাড়ি থেকে।তিনি তাঁরা স্বামী ও দুই মেয়ের সঙ্গে সম্প্রতি সেখানেই ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন ।রক্তাপ্লুত হয়ে,গলা ও হাত কাটা অবস্থায় তাঁকে সন্ধ্যেবেলা বাড়িতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বছর পঁচিশের মৃতা অঞ্জনা দেবীর স্বামী এয়ারফোর্সে কর্মরত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সন্ধ্যেবেলা বাড়িতে একলাই ছিলেন তাঁর স্ত্রী । প্রশাসনের সন্দেহ খুন করা হয়েছে অঞ্জনা দেবীকে।
দিন পনেরো আগে পলতা জহর কলোনি এলাকায় পলতা বায়ু সেনা ছাউনির সার্জেন্ট পদে কর্মরত অমর লাল জনৈক বিজন ভট্টাচার্যের বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন।সেখান থেকে উদ্ধার হয় তার স্ত্রী অঞ্জনা দেবীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। মৃতার স্বামীর দাবী,মহিলার মৃত্যুর সময় বাড়িতে তাঁরা কেউ ছিলেন না। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ দুই মেয়েকে পার্ক থেকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি ।অতঃপর হঠাৎই তিনি ঘর থেকে চিৎকার করে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন এবং “হেল্প, হেল্প ” বলে চিৎকার করতে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় বিছানার ওপরে রঞ্জনা দেবীর মৃতদেহ দেখতে পান। রক্তে ভেসে যেতে দেখা যায় ঘর, অঞ্জনা দেবীর হাত ও গলা কাটা ছিল। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় নোয়াপাড়া থানায়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পলতা বায়ু সেনা ছাউনির কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশের হয়ে আসেন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি জগদ্দল সুব্রত মন্ডল ও নোয়াপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক পার্থসারথি মজুমদার সহ অন্যরা। এরপরে দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

রহস্যময় এই মৃত্যু ও মৃতদেহ উদ্ধারের বিবরণ দেওয়ার ফাঁকে স্থানীয় বাসিন্দা সৌরভ মল্লিক ও ও উত্তর ব্যারাকপুর পৌরসভার পৌর পিতা শুভদীপ সরকার জানান, তাঁরা ঘটনার আকস্মিকতায় হতচকিত। সবে ভাড়াটে হয়ে আসা অঞ্জনা দেবীর রক্তাপ্লুত দেহ দেখার পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে খুন ছাড়া কিছুই ভাবতে পারছেন না। কিন্তু কেন এই খুন তা নিয়ে তাঁদের কোনও ধারণা নেই কারণ নবাগত পরিবারটির সঙ্গে এলাকাবাসীর বিশেষ হৃদ্যতা গড়ে ওঠে নি।পুলিশ তাদের তদন্ত জারী রেখেছে।


More Stories
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও বিজেপির অভিনব বনভোজনে ডুয়ার্সে
কীভাবে ও কেন খু*ন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে?
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?