Home » তরমুজের ফলন ভালো হওয়ায় মুখে হাঁসি ফুটছে চাষিদের

তরমুজের ফলন ভালো হওয়ায় মুখে হাঁসি ফুটছে চাষিদের

সময় কলকাতা ডেস্ক: নদীর চরে সৌভাগ্য দেখছে রাজ্যের তরমুজ চাষিরা।এবার বাম্পার ফলনে, আয় বেড়েছে তাঁদের।বেলে মাটির চাষ হিসাবে সবাই বোঝে তরমুজের চাষ।রাজ্যে মেদিনীপুর বরাবরই তরমুজ চাষে এগিয়ে।হিমালয়ে পাদদেশে এপ্রিল মাস জুড়েই হয় তরমুজ।তবে তা হয় শুধু মাত্র সমতলের তিস্তা নদীর চরে।জলপাইগুড়ির তিস্তা পাড়ে এখন তরমুজ তুলতে ব্যস্ত চাষিরা।

গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে একেবারেই লাভ হয় নি বলে দাবি চাষিদের।কিন্তু ফলন হয়ে ছিল ভালো। এবছর তুলনা মূলক ভাবে তরমুজের ফলন কম হয়েছে তিস্তার চরে।কিন্তু দাম এবার অনেকটাই ভালো পাওয়া যাচ্ছে বলে মত তরমুজ চাষিদের।জলপাইগুড়ির তিস্তা রেল সেতু এলাকায় গেলেই দেখা যাবে তিস্তার চরের থেকে তরমুজ তুলছেন কৃষ্ণকরা।এই চরের চাষিদের একটাই আশঙ্কা, হঠাৎ বৃষ্টি বা তিস্তার জল বেড়ে যাওয়া।জল বাড়লে ফসল ডুববে ।সেটাই এবছর ভাবচ্ছে কৃষকদের।

তরমুজ চাষি বানেশ্বর রায় বলেন, এই এপ্রিল মাস তরমুজ তোলার প্রধান সময়।চরের জমি থেকে তরমুজ তুলে ট্রাক্টরে লোড করা। পাইকারি বাজারে পাঠিয়ে দেওয়া।বানেশ্বর রায় বেশ খুশি বর্তমানে তরমুজের পাইকারি দরে।তাঁর মত এরকম চললে লাভ একেবারে খারাপ হবে না। এবার তিস্তা নদীর চরের ১৮ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি।দক্ষিনবঙ্গে বৃষ্টির দেখা না মিললেও উত্তরবঙ্গে মাঝে মাঝে প্রকৃতি সদয় হচ্ছে।কিন্তু তিস্তা পারের তরমুজ চাষিদের কাছে সেটাতেই এখন আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।তাঁদের আর এক আশঙ্কা হল তিস্তা নদীর জল ইদানিং বেড়ে যাওয়াতে।সেটাই যথেষ্ট ভাবাচ্ছে তরমুজ চাষিদের।

প্রায় ৩/৪ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছেন দীপক সরকারও। এ বছর জমিতে একটু দেরীতে হলেও ফল এসেছে বেশ। দিপক সরকারের দাবি এবার সব ফসল তুলে বিক্রি করতে পারলে লাভ ভালোই হবে। জানান তিনি।

About Post Author