সময় কলকাতা ডেস্ক: কেন্দ্র ও রাজ্য পুলিশের ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ের ঘেরাটোপে শুরু হল বালিগঞ্জ এবং আসানসোল উপনির্বাচনের ভোট গণনা। গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটার পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ভিতরে ও বাইরে নিরাপত্তার প্রথম বলয়ে রয়েছে রাজ্য পুলিশের কমব্যাট বাহিনী। দ্বিতীয় বলয়ে রাজ্য সরকারের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের কর্মীরা থাকবেন। থাকবেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এবং রাজ্য পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃতীয় বলয়ে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা গণনা শুরুর ৩০ মিনিট আগে গণনা কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করেছেন । নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, গণনা কেন্দ্রের ভিতরে মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাইরে রয়েছে স্যানিটাইজারেরও ব্যবস্থা। রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে অবজার্ভার ও রিটার্নিং অফিসার সকাল ৮টায় স্ট্রংরুমে খোলেন। সকলের উপস্থিতিতে স্ট্রংরুম খোলা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে।

আসানসোল লোকসভাকেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শত্রুঘ্ন সিনহাকে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি-র হয়ে দাঁড়িয়েছেন ‘আসানসোলের ঘরের মেয়ে’ অগ্নিমিত্রা পাল। বামেদের প্রার্থী হয়েছেন পার্থ মুখোপাধ্যায়। আর ‘হাত’ প্রতীকের প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডে। অন্য দিকে, বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জোড়াফুল শিবিরের প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ। বামেদের প্রার্থী হয়েছে সায়রা শাহ হালিম। আর কংগ্রেসের প্রার্থী জনাব কামরুজ্জমান চৌধুরী।

গত বছরের ৪ নভেম্বর এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। তিনি বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বিধায়ক শূন্য হয়ে পড়ে ওই বালিগঞ্জ। অন্য দিকে, ১৮ সেপ্টেম্বর বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। ফলে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রও সাংসদহীন হয়ে পড়ে। তাই এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন।


More Stories
সই বিতর্কে বিজেপিকে তোপ চন্দ্রনাথের
আরেকটি পদত্যাগ, এবার শান্তনু সেন
তৃণমূল দলের ভবিষ্যত নেই : সুখেন্দু শেখর রায়