সময় কলকাতা ডেস্ক : মঙ্গলবার ছিল অক্ষয় তৃতীয়া।আজকের দিন বৈশাখ মাসের শুক্লাতৃতীয়া। অক্ষয় অর্থে যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। বৈদিক মত অনুযায়ী , এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল হয় অক্ষয় ।পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, যুধিষ্ঠিরকে অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব বলার সময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন যে এটি সবচেয়ে শুভ তিথি। অক্ষয় তৃতীয়ার পুন্যলগ্নে স্নান, দান, তপস্যা হোম এবং তর্পণ করলে ব্যক্তি অক্ষয় পুণ্য লাভ করে।
অক্ষয় তৃতীয়ার দিনটি বহু ভাবে উল্লেখযোগ্য। গণেশ ও বেদব্যাস এদিনেই মহাভারত রচনা শুরু করেন। এদিন অবতার পরশুরামের আবির্ভাব তিথি।সত্য থেকে ত্রেতা যুগেরও সূচনা এদিন। পাশাপাশি,অক্ষয় তৃতীয়ায় রাজা ভগীরথ দেবী গঙ্গাকে মর্ত্যলোকে নিয়ে আসেন।এদিন থেকেই পুরীধামের জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়। ছমাস বন্ধ থাকার পরে কেদার-বদ্রী-গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রীর এইদিনেই তার দ্বার উদ্ঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল। এমনই সাত সতেরো পৌরাণিক শুভ মুহূর্তে পরিপূর্ণ অক্ষয় তৃতীয়ার তিথি।

আধুনিককালে, এই তিথিতে স্বর্নালংকার কিনে ধনাগম ঘটার জন্য আদর্শ । মনে করা হয়, অক্ষয় তৃতীয়ায় রত্নালংকার কিনলে গৃহস্থর পোয়াবারো।সবমিলিয়ে অক্ষয় তৃতীয়া পুন্যলগ্নের পরম মাহেন্দ্রক্ষণ।।


More Stories
পর্তুগালকে আটকে দেওয়া কঙ্গোতে নরমাংস ভক্ষণের প্রথা চালু ছিল!
উত্তর সিকিমের শিক্ষার্থীদের পাশে ভারতীয় সেনা
ছাত্র শাসন মামলায় শিক্ষকের জামিন, আদালতের যুগান্তকারী বার্তা