Home » আদিবাসী উন্নয়নে গ্রামে গ্রামে স্বয়ং মন্ত্রী

আদিবাসী উন্নয়নে গ্রামে গ্রামে স্বয়ং মন্ত্রী

সময় কলকাতা ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদিবাসী উন্নয়নে উদ্যোগী। অনগ্রসর উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী বুলু চিক বড়াইক নিজেও পিছপা নন অনগ্রসর জাতি ও আদিবাসীদের সমস্যা শুনে বঞ্চনার সার্বিক সমাধানে। এবার তিনি পৌঁছে গেলেন উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁয়। প্রান্তিক গ্রামের আদিবাসী মানুষজনের সমস্যা শুনলেন।অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রীকে পেয়ে জয় জোহর ভাতা, লক্ষী ভান্ডার , তপশিলী উপজাতির শংসাপত্র নিয়ে  বনগাঁর আদিবাসীদের অভিযোগ মেটাতে দ্রুত উদ্যোগী হলেন বুলু চিক বড়াইক।মহকুমা শাসককে ফোন করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী ।

রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ব্লকের গঙ্গানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মোল্লাহাটি গ্রামে রবিবার দুপুরে পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণী ও আদিবাসী কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বুলু চিক  বড়াইক । আদিবাসী পুরুষদের পাশাপাশি লক্ষীর ভান্ডার সহ একাধিক প্রকল্পের আওতায় থাকা গ্রামের আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধা জেনে নিলেন তিনি।সরকারি প্রকল্পের  সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন কিনা জিজ্ঞাসা করতেই উঠে আসে একগুচ্ছ অভিযোগ। আদিবাসী পরিবারের মহিলারা অনেকেই জানান, একাধিক প্রকল্পের সুবিধা তাঁরা সঠিকভাবে পাচ্ছেন না।জয়জোহর ভাতা পাচ্ছেন না, লক্ষী ভান্ডারের টাকা বা এস টি সার্টিফিকেট নিয়েও কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের ক্ষোভ রয়েছে ।

অভিযোগ শুনে মন্ত্রী বুলু চিক বড়াইক প্রাথমিকভাবে সাধারণ ও অনগ্রসর মানুষদের আস্বস্ত করে বলেন,মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছেন আদিবাসীদের এবং সেই সুযোগ সুবিধা থেকে কেউ বঞ্চিত হলে তার দ্রুত সুরাহা করা হবে ।  অভিযোগ পেয়ে মন্ত্রী নিজে বনগাঁ ব্লকের বিডিও অর্ঘ্য দত্ত কে ফোন করে সরকারি প্রকল্পের ভাতা, লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে আদিবাসীদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন ।  মন্ত্রী বিডিওকে মোল্লাহাটি গ্রাম দ্রুত পরিদর্শন করবার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।হাতের কাছে মন্ত্রীকে পেয়ে, অভিযোগ জানিয়ে ও  সমাধানের আশ্বাস পেয়ে খুশি বাণী সর্দারের মত আদিবাসী পরিবারের গৃহবধূরা যারা এতদিন বঞ্চনার অন্ধকারে ছিলেন ।।

About Post Author