Home » নতুন করে আতঙ্কের দানা বাঁধছে মাঙ্কি পক্স! 

নতুন করে আতঙ্কের দানা বাঁধছে মাঙ্কি পক্স! 

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বিভিন্ন দেশেই করোনা সংক্রমণ নতুন করে বেড়েই চলেছে। আর তারই মধ্যে এবার নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স। গত ১৩ মে থেকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বিশ্বের ১২টি দেশে। মাত্র ১০ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯২।

ভারতে এখনও মাঙ্কি ভাইরাসে সংক্রমণের কোনও নজির নেই। কিন্তু, গত দেড় মাসে ইংল্যান্ড সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ও আমেরিকায় এই ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আগামীতে এই ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আরও বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, গত ৭ মে লন্ডনে প্রথম নাইজেরিয়া ফেরত এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল। তারপর ইংল্যান্ড সহ ইউরোপের একাধিক দেশে ও আমেরিকায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

মাঙ্কি ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। এতদিন মূলত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণের নজির ছিল। ইতিমধ্যেই এবার তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই ভাইরাসে আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। যদিও, মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ ঠেকাতে গবেষকরা ব্রিনসিডোফোভির নামক ওষুধটির কার্যকারিতা সম্পর্কে অনেকটা নিশ্চিত হলেও বিভিন্ন গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেই মনে করছেন। পাশাপাশি গবেষকরা জানিয়েছেন, রক্ত এবং লালারসের নমুনা পরীক্ষা করলেই শরীরে মাঙ্কি পক্সের উপস্থিতি রয়েছে কিনা, তা বোঝা যাবে।

চিকিৎসকরা বলছেন ২ সপ্তাহের মধ্যে এটি নিজে থেকেই সেরে ওঠে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তবে প্রয়োজনে ওষুধের দরকার পড়ে। আক্রান্তের সর্দি, কাশি থেকে এই রোগ ছড়িয়ে যায়। আক্রান্তের সঙ্গে অনেকক্ষণ মুখোমুখি কথা বললেও এই রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমকামী ও উভকামী পুরুষদের যৌন চক্র থেকেই তাঁদের দেশে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিভাগের আশঙ্কা। নাক, মুখ ও চোখের পাশাপাশি আক্রান্তের পোশাক থেকেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেই অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এটি প্রথম ১৯৭০-এর দশকে কঙ্গোতে দেখা গিয়েছিল। এই মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের দুটি প্রধান ভ্যারিয়ান্ট আছে। কঙ্গো স্ট্রেনের মৃত্যুহার ১০% এবং পশ্চিম আফ্রিকান স্ট্রেনের মৃত্যুহার ১%।

About Post Author