সময় কলকাতা ডেস্কঃ বড়সড় দূর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচল কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস। ট্রেন লাইনে গ্যাস সিলিন্ডার রেখে ঝালাইয়ের কাজ করার সময় লাইনে চলে আসে ট্রেন। অসুরক্ষিত ও বিপজ্জনক ভাবে ট্রেন লাইনে কাজ করার জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। চালক এমারজেন্সি ব্রেক কশে ট্রেন দাঁড় করান।

জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে আলিপুরদুয়ার গামী 13149 কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস বানারহাট স্টেশনে ঢোকার আগে দেবপাড়া চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় অল্পের জন্য বড়সড় দূর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পায়। ওই এলাকায় একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ট্রেন লাইনে কাজ চলছিল, মেরামতির কাজ চলার খবর স্টেশন মাস্টারের কাছে না থাকায় তিনি ট্রেন চালককে ‘কশান ম্যাসেজ’ জারি করতে পারেননি। ফলে ট্রেন চালকের কাছেও লাইন মেরামতির খবর ছিল না। লাইনে কাজ চলার দৃশ্য দেখে তিনি এমারজেন্সি ব্রেক কশে কোনও মতে ট্রেন দাঁড় করান। যদিও বানারহাট স্টেশনে ট্রেন আসার পর ট্রেন ড্রাইভার বা গার্ড এই বিষয়ে স্টেশনে কোনও রিপোর্ট করেননি। ঘটনার জেরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বানারহাট স্টেশনের স্টেশন মাস্টার ধর্মেন্দ্র কুমার জানান লাইনে কাজ চলার বিষয়ে স্টেশনে কোনও খবর ছিল না। বানারহাট স্টেশনে ট্রেন থামার পর লোকো পাইলট এবং গার্ড মৌখিক ভাবে জানান লাইনে অক্সিজেন সিলিন্ডার রেখে ঝালাই এর কাজ চলছিল, তিনি তা দেখতে পেয়ে এমারজেন্সি ব্রেক কশে গাড়ি দাঁড় করাতে সক্ষম হন।
কিন্তু প্রশ্ন লাইনে কাজ চলার কোন খবর কেন ছিল স্টেশন মাস্টারের কাছে? বা ওই বেসরকারি সংস্থা ওই রকম একটি ব্যস্ত রেল লাইনে কাজ করার আগে কেন স্টেশন মাস্টারকে জানায়নি? যদি ট্রেনটি লাইনে রাখা গ্যাস সিলিন্ডা্রে ধাক্কা মারত তাহলে ট্রেনের ওই যাত্রীদের কি অবস্থা হত। আরও একটি প্রশ্ন যাত্রীদের কাছ থেকে উঠে আসছে এত বড় একটি গাফিলতি হল, অথচ কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের ড্রাইভার ও গার্ড শুধু মৌখিক ভাবে স্টেশন মাস্টারকে জানিয়ে দায় সারলেন? কেন ? তাদের কে অধিকার দিয়েছে এত গুলো মানুষের প্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার? আর কবে রেলের হুঁশ ফিরবে?


More Stories
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ
“দত্তপুকুরের শাহজাহান “গোপাল কাঞ্জিলালকে আদালতে তোলা হল