সময় কলকাতা ডেস্ক: রাজ্য সরকারের সাধের প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম অঙ্গনওয়ারী মডেল বা মিড-ডে মিল। তবে বছরের পর বছর এই প্রকল্পকে ঘিরে রয়েছে নানান অভিযোগ।
২০১৭-১৮ বর্ষে ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতি দ্বারা নির্মিত উত্তর কাটুলিয়া অঙ্গনওয়ারী কেন্দ্র মডেল সেন্টার হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও ,তা যে শুধুমাত্র কাগজে কলমে তার বহিঃপ্রকাশ খোদ দায়িত্বে থাকা অঙ্গনওয়ারী কর্মী থেকে কেন্দ্রে আসা শিশুর অভিভাবকদের ক্ষোভে প্রমাণিত।শুরুটা ভালো হলেও দিনের পর দিন এই শিশু আলয় যেন অবহেলার পাত্র হয়ে গিয়েছে । মাথার উপরে ছাদ চুঁইয়ে জল পরে ঘর জলমগ্ন । কেন্দ্রের সব থেকে প্রয়োজনীয় পানীয় জল থেকে রান্নার জল সবটাই আনতে হয় পাশের বাড়ি থেকে। মোট ৬২ জন শিশু রয়েছে এই কেন্দ্রে। অথচ অঙ্গনওয়ারী কর্মী মাত্র কয়েকজন হাতে গোনা। একা হাতেই তাই সামলাতে হয় সবটা। শুরুতে একজন সহায়ক থাকলেও প্রোমোশনের কারনে ভিন্ন জায়গায় চাকরি নিয়েছেন তিনি।

একা হাতে সামলাতে না পেরে অঙ্গনওয়ারী কর্মীর তাই হাতের পাঁচ গ্রামেরই এক সহযোগী বৃদ্ধা। বৃদ্ধার পরিশ্রমের বিনিময়ে কখনো একটা শাড়ি কিংবা কেন্দ্র থেকে বেঁচে যাওয়া খাবার দিয়েই চলছে সাহায্য। ভুঁড়ি ভুঁড়ি অভিযোগ করছেন অভিভাবক থেকে কর্মের নিযুক্ত খোদ কর্মীও। বারংবার স্থানীয় প্রশাসন থেকে ব্লক প্রশাসন এমনকি আই সি ডি এস এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিত আকারে জানালেও কোন সুরাহা মেলেনি। এদিকে এই শিশু আলয় নিয়ে জমি দাতার অভিযোগ ভয়ঙ্কর।তিনি দাবি করেছেন, সেন্টার নির্মাণের সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় বাড়ির একজনকে নিয়োগ করা হবে। ৪ বছর পেড়িয়ে গেলেও প্রতিশ্রুতি আছে প্রতিশ্রুতিতেই। দেখার বিষয় এভাবে আর কতদিন এই সেন্টার চলে।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!