পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা : “ওয়েক মি আপ বিফোর ইউ গো গো ‘…. বেঁচে থাকলে এবছরের ২৫ জুন ৫৯ বছর বয়স হত তাঁর। কিন্তু ছ বছর আগে বড়দিনে হৃদরোগ এসে কেড়ে নিয়ে গেছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের প্ৰিয় এক মহান সঙ্গীত তারকাকে। মহিলাদের হার্টথ্রুব, সুপুরুষ এবং পপ গানের সর্বকালের সেরাদের অন্যতম গায়ক, সুরকার, গীতিকারকে তাঁর প্রকৃত নাম জিওরগোস কিরিয়াকোস পানাইয়োতু নামে চিনবেন না কেউ। কিন্তু জর্জ মাইকেলকে একডাকে বিশ্বজুড়ে চিনবেন সঙ্গীতপ্রেমীরা।অসামান্য দক্ষতায় পপ গানে কার্যত বিপ্লব এনেছিলেন জর্জ মাইকেল।
“টাইম ক্যান নেভার মেন্ড দ্যা কেয়ারলেস হুইসপার অফ অ্যা ট্রু ফ্রেন্ড”…. বাবা ছিলেন গ্রিক বংশোদ্ভুত, মা ইংরেজ নর্তকী।৮ বার গ্র্যেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়ে এই সম্মান দুবার লাভ করেছিলেন জর্জ মাইকেল।আজীবন বিটলস ভক্ত ছিলেন তিনি।

“দেয়ারস নো কমফোর্ট ইন দ্যা ট্রুথ, পেইন ইজ অল উ ফাইন্ড”…. জর্জ মাইকেলের গানের অসামান্য লিরিক্স আর মনোমুগ্ধকর সুর দিয়ে জয় করেছেন দর্শকদের মন। তাঁর অ্যালবাম বিক্রিতে জোয়ার এসেছে, রেকর্ড সংখ্যক সেল হয়েছে।১৯৮২ তে পপ তারকার আনুষ্ঠানিকভাবে গানের জগতে পথচলা শুরু। ও(হো)হ্যাম ব্রান্ডে সঙ্গীত থাকাকালীন তাঁর কেয়ারলেস হুইসপার ১৯৮৪ সালে সঙ্গীত দুনিয়ায় আলোড়ন ফেলে দেয়।

“ডু দ্যা নো ইটস ক্রিসমাস?”…
জর্জ মাইকেল ছিলেন সমাজ ও রাজনীতি সচেতন। ছিলেন মানবতাবাদী।১৯৮৪ সালে দুর্ভিক্ষ পীড়িত আফ্রিকার সাহায্য গঠিত ব্যান্ড এইড-এর সঙ্গে ডু দে নো ইটস ক্রিসমাস’ গানটিতে অংশ নেন জর্জ মাইকেল।প্রেম আর সমাজ চেতনা মিশে আছে তাঁর গানে।
উ নো আই বিলিভ ইন লাভ….
জর্জ মাইকেল ২০০৩ সালে আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের ইরাক অভিযানের বিরোধিতায় সরব হয়ে শুট দ্যা ডগ গানটি প্রকাশ করেন। ব্যঙ্গ-বিদ্রুপে ভরিয়ে দেওয়া হয় বুশ-ব্লেয়ারকে।
“লাস্ট ক্রিসমাস আই গেভ ইউ মাই হার্ট”…. ২০১৬ সালে বড়দিনেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বড় অসময়ে চলে যান জর্জ মাইকেল। রেখে যান অগণিত শ্রোতা, ভক্ত আর তাঁর অমর সৃষ্টিসমূহ।
তথ্য ও চিত্র সৌজন্য : উইকিপিডিয়া


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার
হরমুজ প্রণালী, রান্নার গ্যাস ও তেল এবং ভারত -ইরানের সম্পর্ক