সময় কলকাতা ডেস্কঃ দাদুর কাছে শেরওয়ানি কেনার টাকা চেয়েছিল নাতি। সেই টাকা দিতে না পারায় সত্তরোর্ধ্ব দাদুকে খুন করল নাতি। এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলো পূর্ব বর্ধমান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত ব্যক্তির নাম শশাঙ্ক শেখর দত্ত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,পূর্ব বর্ধমানের সরাইটিকর আমতলা এলাকার বাসিন্দা শশাঙ্ক শেখর দত্ত তাঁর ছেলে ফাল্গুনী দত্ত ও নাতি অনিরুদ্ধ দত্তকে নিয়ে থাকতেন। শশাঙ্কবাবু প্রাক্তন কোলিয়ারির কর্মী। বছর দশেক আগেই অবসর নেন তিনি। অভিযোগ,বাড়িতে শশাঙ্ক বাবুর ছেলে ফাল্গুনী দত্ত এবং তাঁর নাতি অনিরুদ্ধ দত্ত প্রায় সময়ই তাঁর কাছে টাকা পয়সা চাইত। আর তা না পেলেই ছেলে এবং নাতি মিলে মারধর করত শশাঙ্ক বাবুকে।
একইভাবে বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের বাড়ি থেকে চিৎকার চেঁচামেচি আওয়াজ শুনতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা এসে দেখেন ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন শশাঙ্ক বাবু। আর তাঁর ঠিক পাশেই বসে আছেন ছেলে এবং নাতি। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। স্থানীয়দের তরফে খবর পৌঁছয় পূর্ব বর্ধমান থানায়। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান থানার পুলিশ ফাল্গুনী দত্ত এবং অনিরুদ্ধ দত্তকে আটক করেছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, শশাঙ্ক শেখর দত্তকে দেওয়ালে ঠুকে মাথা ফাটিয়ে খুন করা হয়েছিল।


More Stories
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ
“দত্তপুকুরের শাহজাহান “গোপাল কাঞ্জিলালকে আদালতে তোলা হল