সময় কলকাতা ডেস্কঃ মালানদিঘি- রঘুনাথপুরের রাস্তায় দুর্গাপুর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে মালানদিঘি মোড়ের আগেই রাস্তার পাশে নজর পড়লেই চোখে পড়বে চারিদিকে আগাছার জঙ্গল তার মাঝে ছোট্ট এক চিলতে টালির ঘর। নেই কোন জানলা- দরজা, টালির চাল তাও প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম, ভাঙাচোরা ,পোড়ো এই ভুতুড়ে বাড়িটি হলো অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। প্রবল ঝড় বৃষ্টি হলে তখন স্থানীয়দের বাড়িতে গিয়ে করতে হয় রান্না। এলাকারই এক মৃত ব্যক্তির পরিত্যক্ত এই ঘরেই চলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। অথচ ২০১০ সালে শুরু হওয়া এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পাশেই ৩৫১ নম্বর দাগে সরকারি জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল ৩২০ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র তৈরির জন্য। অথচ লাল ভিতের ফাঁসে আটকে রয়েছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের গৃহ নির্মাণ। ফলে উপায় না দেখে এই ভুতুড়ে বাড়িতেই চলছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। বাড়ি ভেঙে পড়ার আতঙ্কে কেন্দ্রে আসে না কোন ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা। কোনমতে রান্না খাবার নিয়ে বাড়ি চলে যান তারা।

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের রাধুনীর বক্তব্য, তারা এইখানেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চায় প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো ব্যবস্থা হয়নি। হাইওয়ের পাশে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র হওয়ায় একাধিক সময় ঘটেছে দুর্ঘটনা ফলে আতঙ্কিত অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে চায় না। রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র সরকার যখন সর্বশিক্ষা মিশন এবং শিক্ষার অগ্রগতির জন্য নিচ্ছেন একাধিক পদক্ষেপ তখন অঙ্গনওয়াড়ি এই চিত্র অবশ্যই প্রশ্ন তুলছে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে।


More Stories
প্রাক্তন বিধায়ক রফিকুরের ভাই আনিস গ্রেফতার
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপদ,সৌগত রায়কে লক্ষ্য করে উড়ে এল পচা ডিম