সময় কলকাতা ডেস্ক : আমাদের প্রতিদিনের জীবনে ইমোজি একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। কোনও না বলা কথা বা প্রবল ব্যস্ততার মধ্যে নিজের অবস্থা চটজলদি বোঝাতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আজকের দিনে ইমোজির গুরুত্ব অনেকখানি।
প্রতিবছর ১৭ জুলাই দিনটিতে বিশ্ব ইমোজি দিবস পালন করা হয়। উদ্দেশ্য, বিশ্বজুড়ে ইমোজির ব্যবহার বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া।
প্রতিবছর ইমোজির একটা বিশাল তালিকা অনুমোদন করে ইউনিকোড কনসরটিয়াম। অনুমোদন পাওয়া গেলেই সেই ইমোজি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ পায়।
ইউনিকোড কনসরটিয়ামের বেশ কয়েকজন সদস্য রয়েছে, যারা এই ইমোজিগুলি অনুমোদন করে, নেটফ্লিক্স, অ্যাপল, ফেসবুক, গুগল এবং টিন্ডার।
১৯৯৯ সালে প্রথম ইমোজি তৈরি করেন জাপানি মোবাইল অপারেটিং কোম্পানিতে কর্মরত শিগেটাকা কুরিতা। আই-মোডে ব্যবহারের জন্য ১৭৬টি ইমোজি ব্যবহার করা হয়।
২০১০ সালে ইউনিকোড ইমোজির ব্যবহার নিশ্চিত করে। এরপরই গুগল, মাইক্রোসফট, ফেসবুক এবং টুইটার নিজেদের ভার্সনের ইমোজি ব্যবহার করা শুরু করে।

ইউনিকোড ৬.০-তে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ইমোজি ব্যবহার করা হয়েছে। ৯৯৪ টি ইমোজি। ২০১৪ সালে ইমোজিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জেরেমি বার্জ ১৭ জুলাইকে বিশ্ব ইমোজি দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন।


More Stories
উত্তর ২৪ পরগনায় আইএসএফ ও তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম একাধিক কর্মী
উত্তরাখণ্ডে বৃষ্টির তান্ডবে ধুয়ে গেল ভারত-চীন সেতু!
উত্তর ২৪ পরগনায় তৃণমূলের রক্তদান শিবিরে তুমুল উত্তেজনা! মঞ্চেই দুই গোষ্ঠীর চেয়ার ছোড়াছুড়ি