সময় কলকাতা ডেস্কঃ অভাবের কারণে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেকে চিকিৎসা না করিয়ে, শেকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে বাবা-মা,উদাসীন হরিশ্চন্দ্রপুর প্রশাসন। মিলছে না চিকিৎসা। তৃণমূলকে খোঁচা বিজেপির,পাল্টা চিকিৎসার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দলের তরফে সাফাই তৃণমূলের।
পরিবারে চরম অভাব। বৃদ্ধ অথর্ব পিতা-মাতা। দারিদ্রের কারণে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেকে চিকিৎসা করাতে পারছে না। মানসিক ভারসামহীন ছেলের মার মুখী আচরণের কারণে বাধ্য হয়ে শেকলে বেঁধে রাখতে হচ্ছে। পরিবারটির পাশে দেখা মেলেনি কোন জন-প্রতিনিধি থেকে স্থানীয় প্রশাসনিক প্রতিনিধির।
এমনই অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কলম পাড়া গ্রামে। ওই এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক সনাতন দাসের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। সনাতন দাসের স্ত্রী চিনু দাস লোকের বাড়ি বাড়ি পরিচারিকার কাজ করেন। বড়ো ছেলে ছোটন দাস ছোট থেকেই দুর্ঘটনার জেরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মানসিক বিকারও বেড়ে গিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু দিন চিকিৎসা করানো হয়েছিল কিন্তু সফল হয়নি। দিন আনে দিন খায় পরিবারের পক্ষ থেকে ছেলের ব্যয়বহুল চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না দরিদ্র ভ্যান চালক পিতা সনাতন দাসের।

এদিকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ছেলে ক্রমেই হিংস্র হয়ে উঠেছে। পাড়ার বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর থেকে শুরু করে লোকজনকে মারধরও করছে। তাই বাধ্য হয়ে ছেলেকে শেকল পরিয়ে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। কাটমানি দিলে অনেকদিন আগেই হয়ে যেত প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট। এমনি ভাবেই তৃণমূলকে তীব্র খোঁচা দিলেন জেলা বিজেপি সাংগঠনিক সম্পাদক বিজেপি নেতা রূপেশ আগারওয়াল। অন্যদিকে পঞ্চায়েতের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় অবিলম্বে ওই ছেলেটিকে প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!