Home » লুপ্তপ্রায় বহুরূপী শিল্পকলা

লুপ্তপ্রায় বহুরূপী শিল্পকলা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বহুরূপী নিয়ে ডকুমেন্টরি করে বিতর্কে জড়িয়েছেন পরিচালক লীনা মনিমেকালাই। কিন্তু বাংলার সংস্কৃতিতে অবিচ্ছেদ্দ্য এই বহুরূপীদের শিল্পকলা। এই শিল্পকলাও আজ বিবর্তনের ঝড়ে লুপ্তপ্রায়।

লোককথার চরিত্রকে রং আর কালি দিয়ে নিজেকে সাজিয়ে নিয়ে মানুষের মনোরঞ্জন করাই বহুরূপী শিল্পকলা। গ্রাম বাংলার এই চেনা শিল্প আজ লুপ্ত প্রায়। রাঢ় বাংলায় এই কলা চর্চার জন্য এক সময় আস্ত একটি করে গ্রামও দেখতে পাওয়া যেত। তবে বর্তমানে এই বহুরূপী কলার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। এমন কি এই শিল্পকলার চর্চা যাঁরা করেন তারাও আর এই পেশায় থাকতে চাইছেন না। তাঁদের দাবি, সরকার এই শিল্পকে বাঁচাতে মাসে মাসে শিল্পীদের এক হাজার টাকা করে দেন। কিন্তু বিশ্ব জুড়ে বিনোদনের ধারণা সর্বত্র পরিবর্তিত হয়েছে । তাঁর প্রভাব এসে পড়ছে বাংলার গ্রামীণ জীবনে। পেশার অস্তিত্বের সংকটে পড়ছেন এই শিল্পের শিল্পীরা।

বহুরূপীরা শিব থেকে মিস শেফালি সবকিছুই সাজেন। নর্তকী, বাইজি, কলেজ গার্ল ইত্যাদি সাজা তাঁদের পেশারই অঙ্গ। বাস্তবের মানুষটিকে সহজে চেনা যেত না। আর চিনতে পারলে, সে আর বহুরূপী কিসের! রূপসজ্জা আর সেই সাজের সঙ্গে মানানসই সংলাপ, অঙ্গভঙ্গি, অভিনয় সব মিলিয়ে গোটা আবহাওয়াটাই বদলে দিতেন বহুরূপীরা। বহুরূপীরা এলেই পাড়ার মধ্যে একটা সাড়া পড়ে যেত এক সময়। তবে কালের নিয়মে এখন আর বহুরূপী দেখা মেলাই ভার।

About Post Author