সময় কলকাতা ডেস্ক : গোটা বিশ্ব আজকের দিনেই দেখেছিল পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগের করুণ পরিণতি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট, জাপানের হিরোশিমায় ফেলা হয়েছিল প্রথম পরমাণু বোমা। নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল গোটা শহর।
আজও সেই শহরের প্রতিটা মানুষ সেই ভয়ঙ্কর হামলার স্মৃতি বহন করে বেড়ায়। আর বিশ্বের তথাকথিত সভ্যদেশগুলিকে আজকের দিনে অন্তত মাথা নীচু করেই থাকতে হয়।
সেদিনের সেই হামলায় মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৮০ হাজার মানুষের। আহত হয়েছিলেন ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। কেবল তাই নয়, পরমাণু বোমার আঘাতে ঘরবাড়ি, গাছপালা, পশুপাখি সবকিছু এক নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।
চিন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় থেকেই জাপানি সামরিক কার্যকলাপের মূল কেন্দ্র উঠেছিল হিরোশিমা। পাশাপাশি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও সামরিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল এই শহর। এই শহর ধ্বংসের মধ্যে দিয়ে মানবতার জয়ধ্বনি নয়, নির্মম মৃত্যু ঘটেছিল।

বিশ্বশান্তি ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির প্রচার করতেই হিরোশিমা দিবস পালন করা হয় প্রতি বছর। ৭৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই শহরে আজও জন্মায় না কোনও সুস্থ শিশু।


More Stories
রবীন্দ্র জন্মদিন : মোদি ও মমতার কবিগুরু স্মরণ
রবীন্দ্রনাথের পরলোক চেতনা ও প্রেতচৰ্চা
অভিনেতাদের কাছে সেরা-টুকু নেওয়ার মাস্টার আর্ট ছিল সত্যজিৎ রায়ের জানা