সময় কলকাতা ডেস্ক: ভারতের তাঁত শিল্পকে গুরুত্ব ও মর্যাদা দিতে এবং তাতঁ শিল্প নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর ৭ অগস্ট জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবস বা তাঁত দিবস হিসেবে পালিত হয়। ২০১৫ সালে প্রথম দেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করা উদ্দেশ্যে এই দিনটিকে তাঁত দিবস হিসেবে ঘোষণা করে মোদি সরকার।জাতীয় হ্যান্ডলুম দিবসে দেখে নিন ভারতের সেরা তাঁতের সম্ভারকে।
মহেশ্বরী হ্যান্ডলুম- ভারতের সবচেয়ে ধনী তাঁত কাপড়ের ঐতিহ্যের আঁতুড়ঘর হল মধ্যপ্রদেশের খারগোন জেলার মহেশ্বর নামে একটি ছোট শহর। প্রায় দুইশত বছর আগে রাজকীয় পোশাকে জটিল ও শৌখিন নকসার জন্য এখানকার তাঁতীদের নিয়ে দারুণ সাড়া পড়ে যায় সারা দেশ জুড়ে। এই সূক্ষ্ম তাঁতশিল্প আজ আন্তর্জাতিক বাজারে কেবল ভারতীয় তাঁতের প্রতিনিধিত্ব করে তাই নয়, ভারতীয় তাঁতিদেরও আর্থিকভাবে উন্নতি করেছে।
ইলকাল হ্যান্ডলুম- কর্ণাটকের বগলকোট জেলায় অবস্থিত ইলকাল হল প্রাচীন ইলকাল তাঁতের জন্য বিখ্যাত। টোপ টোনি নাম একপ্রকার কৌশলে বোনা হয় এই তাঁত। শাড়ির আঁচল শাড়ির শরীরের সঙ্গে বুনন করা হয়। এই শাড়ির স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হল কাসুটি নামে সূচিকর্মের ব্যবহার।
গোল্ডেন মুগা সিল্ক- চমৎকার ও বিরল তাঁত শিল্পের নিদর্শন যুগ যুগ ধরে মহিলারা এই শাড়ি পরে আসছেন। সাধারণত প্রাকৃতিক হলুদ-সোনালী রঙের মুগা শাড়ি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। জানা যায়, এই ধরনের শাড়ি আগে রাজ পরিবারের মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হত। কারণ, প্রাচীনকালে এই শাড়ি সোনার তার দিয়ে বোনা হত।
বালুচরী শাড়ি- বালুচরী কথার অর্থ হল বালুকাময় নদীর তীর। এই ধরনের শাড়ির আঁচলের উপর পৌরাণিক কাহিনি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলেন তাঁতিরা। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের বিষ্ণুপুর এই শাড়ির আঁতুড়ঘর।

পাটানে পাটোলা শাড়ি- পাটোলা হল হাতে বোনা দ্বিগুণ সাইজের ইকত শাড়ি। মধ্যযুগীয় সময়ে গুজরাতের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল এই পাটান। বর্তমানে প্রযুক্তির কারণে বেশ ব্যয়বহুল এই তাঁতশিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছেন খুব অল্প সংখ্যক তাঁতিরা।


More Stories
অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা আসছে
রবীন্দ্র জন্মদিন : মোদি ও মমতার কবিগুরু স্মরণ
রবীন্দ্রনাথের পরলোক চেতনা ও প্রেতচৰ্চা