সময় কলকাতা ডেস্ক : অন্ধকার ঘিরে ধরেছিল যাদের, মুখে যাদের ছিল বিষন্নতা, আবার তাঁদের মুখে হাজার ওয়াটের আলোর ছটা। গত বছরদুই ধরে করোনার জন্য লকডাউনে জেরবার ছিলেন তাঁরা।তাঁত ও বস্ত্র হাট বন্ধ ছিল পূর্ব বর্ধমান জেলার, কাটোয়া ২-ব্লকের করুই অঞ্চলের মেঝিয়ারী গ্ৰামীন এলাকায়। পুজোর আগেই চেনা ছন্দে ফিরল তাঁত ও বস্ত্র হাট।

সোমবার কাটোয়া ২নং ব্লকের করুই অঞ্চলের মেঝিয়ারী গ্ৰামীন তাঁত ও বস্ত্র হাট শুরু হয়েছে বিকিকিনি। হরেকরকম সুদৃশ্য তাঁত ও বস্ত্রের সম্ভার মেঝিয়ারী ঋষি অরবিন্দ বিদ্যাপীঠে। শান্তিপুর, ধাত্রিগ্ৰাম, সুমদ্রগড় সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে তাঁত বিক্রেতারা তাদের তাঁত ও বস্ত্রর পসরা নিয়ে হাজির মেঝিয়ারী গ্ৰামীন হাটে। বিভিন্ন ধরনের শাড়ি সহ পোশাক রয়েছে তাদের ঝুলিতে। ইতিপূর্বেই স্থির হয়েছে, প্রতি সোমবার গ্ৰামীন হাট হবে মেঝিয়ারীতে। মেঝিয়ারী সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষেরা আগ্রহ নিয়ে তাঁত ও বস্ত্র হাটে শাড়ি সহ পোশাক কিনতে আসছেন । পুজোর আগে সরগরম কাটোয়ার হাট।

উল্লেখ্য,কাটোয়া, ধাত্রীগ্রাম, সমুদ্রগড়, পূর্বস্থলী সহ কালনা মহকুমার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে লক্ষাধিক মানুষ তাঁত বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। ফলে পুজোর আগে এরকম গ্রামীণ হাট তাঁতশিল্পকে করোনা কালের শেষে আলোর পথ দেখাবে , আশাবাদী হাটে আসা সওদাগররা।

বস্ত্র ব্যবসায়ীদের অধিকাংশের কাছেই রয়েছে দামে ধরাছোঁয়ার গন্ডির মধ্যে থাকা শাড়ি। দামি শাড়ি যে নেই তাও নয়।শাড়ি বিক্রেতারা জানান, এই হাট থেকে ন্যায্য মূল্যে শাড়ি সহ পোশাক কিনতে পারবেন ক্রেতারা।তাঁরা আরও বলছেন ‘বরাবরই পুজোর আগে বেচাকেনা ভালো হয় এই হাটে।’ বস্ত্র ব্যবসায়ীরা বাড়তি লাভ চাইছেন না।খারাপ দুটো বছর পেছনে ফেলে তাঁতের রং জীবনে ছোঁয়াতে চাইছেন ব্যবসায়ীরা।দশভুজা মা আসছেন।পরিবারের লোকেদের মুখেও যে হাসি ফোটাতে চান তাঁত-বস্ত্র ব্যবসায়ীরা ।।


More Stories
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
শান্তি নেই শ্মশানেও -বঙ্গভূমির করুণ আখ্যান
লেনিনের মৃত্যু : বিতর্ক এবং বাস্তব