Home » ৫জি মোবাইল টাওয়ার বসানোর জন্য ২৬০০০ কোটি টাকা অনুমোদন কেন্দ্রের

৫জি মোবাইল টাওয়ার বসানোর জন্য ২৬০০০ কোটি টাকা অনুমোদন কেন্দ্রের

সময় কলকাতা ডেস্কঃ সুখবর! ৫জি লঞ্চ করার পরই দেশব্যাপী ২৫০০০ মোবাইল টাওয়ার বসানোর জন্য ২৬০০০ কোটি টাকা অনুমোদন করল কেন্দ্র। সূত্রের খবর, ৫০০ দিনের মধ্যে এই মোবাইল টাওয়ারগুলি বসানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। টেলিকম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে,প্রকল্পটির জন্য আর্থিক সহায়তা ইউনিভার্সাল সার্ভিসেস বাধ্যবাধকতা তহবিল দ্বারা সরবরাহ করা হবে এবং এটি ভারত ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক দ্বারা বাস্তবায়িত হবে।

সম্প্রতি টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন,ডিজিটাল ভারতের জন্য সংযোগ অত্যাবশ্যক এবং দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছানো জরুরি। কার্যত সেকারণেই তিনি ঘোষণা করেছেন যে আগামী ৫০০ দিনের মধ্যে ২৫০০০টি নতুন টাওয়ার স্থাপনের জন্য ২৬০০০ কোটি অনুমোদন করা হয়েছে।

১ অক্টোবর থেকে ৩ দিন ব্যাপী ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া কনফারেন্স অফ স্টেট আইটি মিনিস্টারস’ সম্মেলন ছিল। সেই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি এবং দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা প্রতিমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর, যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী দেবুসিংহ চৌহান এবং ১২ টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আই টি মন্ত্রীরা। পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন আসাম, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড ,তেলেঙ্গানা, মিজোরাম, অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, গোয়া, মণিপুর, সিকিম, এবং পুদুচেরির মন্ত্রীরাও।
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গেই টেক্কা দিয়ে দ্রুত ভারতে ৫জি লঞ্চ করবে বিএসএনএল। ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার ৫জি সার্ভিস লঞ্চ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


১ অক্টোবর,শনিবার দিল্লির প্রগতি ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে ৫জি পরিষেবার সূচনা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আপাতত দেশের ১৩ টি প্রথম সারির শহরে এই পরিষেবা চালু হবে। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি,পুণে, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, চেন্নাই সহ ১৩টি শহরে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এরপর ধাপে ধাপে আগামী দু’বছরের মধ্যে দেশজুড়ে চালু হবে ৫জি পরিষেবা। টেলিকম বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫জি পরিষেবার ফলে দেশের টেলিকম শিল্পে নতুন দিগন্ত খুলে গেল। জানা গিয়েছে,৪জি থেকে ২০ গুণ বেশি স্পিড ৫জি-র। মাত্র ২ সেকেন্ডে ডাউনলোড করা যাবে ৩ ঘণ্টার সিনেমা। এমনকী কোনরকম বাফারিং ছাড়াই ভিডিও চলবে। এই ৫জি প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়াই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ভিশন। ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভিশন ডিভাইসের দাম, ডেটার খরচ, ডিজিটাল কানেক্টিভিটি এবং ডিজিটাল ভাবনা-এই চারটি স্তম্ভের উপর নির্ভর করে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছিলেন,‘ ডিভাইসের দাম তখনই কমবে যখন আমরা আত্মনির্ভর হব।’

About Post Author