Home » মেট্রোর সুড়ঙ্গ দিয়ে জল ঢোকা বন্ধ হয়েছে, দাবি কেএমআরসিএল-এর

মেট্রোর সুড়ঙ্গ দিয়ে জল ঢোকা বন্ধ হয়েছে, দাবি কেএমআরসিএল-এর

সময় কলকাতা ডেস্কঃ পুজোর পর মেট্রো রেলের কাজ শুরু হতেই বিপত্তি। ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ ছিল। গত শুক্রবার থেকে ফের কাজ শুরু হয়। বউবাজারের ভূগর্ভে সুড়ঙ্গের কাজ শুরু কাজ করতে গিয়ে মাটির নীচ থেকে জল বেরিয়ে আসে। যে কারণে বাড়িগুলিতে ফাটল দেখা দেয়। শুক্রবার থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মাটির নীচে জলস্রোত আটকানোর কাজ শুরু করে কেএমআরসিএল। কিন্তু বৃষ্টির জন্য বেশ বেগ পেতে হয়। শনিবার সকালে কেএমআরসিএল-এর তরফে জানানো হয়, মেট্রোর সুড়ঙ্গের ভিতরে জলস্রোতের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

শুক্রবার গোটা রাত বউবাজারের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ পরিদর্শন করেন মেট্রো আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা। দফায় দফায় বৈঠক করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের গবেষক ও অধ্যাপকদের সঙ্গেও। ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক পার্থপ্রতিম বিশ্বাস এবং নির্মাণ বিশেষজ্ঞ চন্দ্রচূড় ধর। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই দাবি মেট্রো কর্তৃপক্ষের। প্রসঙ্গত, শনিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ কেএমআরসিএল-এর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। কলকাতা পুরনিগমের ভবনে এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য,  শুক্রবার কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম  বলেছিলেন বউবাজারের এই সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনা চান তিনি।

কেএমআরসিএল-এর পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যারা ঘর ছাড়া তাদের পরিবারকে এক লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করা হবে। কেএমআরসিএল-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণ। মদন ঘোষ লেনের ১০টি বাড়িতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর রাতারাতি হোটেলে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয় এলাকার একাধিক বাসিন্দাকে। শনিবার সকাল হতেই ঘরে থাকা আসবাবপত্র, সহায় সম্পত্তি, একাধিক ডকুমেন্টসের কী হাল, তা দেখতে ফের নিজেদের বাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা।

 

About Post Author