সময় কলকাতা ডেস্ক : পেলে, মারাদোনা বা হালের তারকা ফুটবলার রোনাল্ডো । শৈশবের দারিদ্র্য তাঁদেরও ছিল। তবু দারিদ্র্য গ্রাস করতে পারেনি তাদের ফুটবল চেতনাকে। অর্থাভাবকে সঙ্গী করেই তারা তাদের প্রতিভা দিয়ে জয় করে নিয়েছেন প্রতিকূলতা। তাদের শিল্প দিয়ে ফুটবল মাঠে ফুল ফুটিয়েছেন তাঁরা । টোটন দাসের ও প্রতিবন্ধকতা তার দারিদ্র্য। পেলে বা মারাদোনা সে হয়ে ওঠেনি ঠিকই কিন্তু স্বল্প সময়ের ফুটবল জীবনে ইতিমধ্যেই সে প্রতিভার স্ফুরণ ঘটিয়েছে। দীর্ঘ পথ চলা বাকি তার। তার প্রতিভার বিকাশ যেন হয় সেজন্য পৃষ্ঠপোষকরা ধীরে ধীরে তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন। টোটন দাস আত্মবিশ্বাসী, খ্যাতনামা ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে অবিচল সাধনায় সে নিজেকে ডুবিয়েছে। বাংলা জাতীয় ফুটবল দলের সে হয়ে উঠেছে অপরিহার্য অঙ্গ। বাংলাকে জাতীয় স্তরে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে সে এবার নিয়েছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা।

বস্তির এক চিলতে পরিসরে বড় খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন ছিল বারাসাতের হাটখোলার আম্বেদকরপল্লীর টোটন দাসের । তার স্বপ্নকে সফল করতে , ভালো ফুটবলার হিসেবে তাকে গড়ে তুলতে তার মা সীমিত সাধ্যে তাকে জুগিয়ে এসেছেন সব ধরনের রসদ। কোনও কোচ বা ফুটবল বিশেষজ্ঞর চেয়ে দরিদ্র পরিবারের টোটনের ফুটবল খেলায় তাকে অনুপ্রাণিত করেছেন তার মা। মাথায় সব সময় থেকেছে মায়ের আশীর্বাদের হাত।
টোটনের কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দিতে উদ্যোগী হয়েছেন বারাসাতের পুর পারিষদ অভিজিৎ নাগ চৌধুরী। হাটখোলার সূর্যসেন ক্লাবের কাছে এক অনুষ্ঠানে টোটনকে সম্বর্ধিত করে বারাসাত পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের পুর পারিষদ অভিজিৎ নাগচৌধুরী জানিয়েছেন তিনি পাশে আছেন।বরাবরের মত প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের জন্য তাঁর রয়েছে বিশেষ ভাবনা। তবে টোটন নিজের ফুটবল জীবনকে দীর্ঘায়িত করতে অর্থের নিশ্চিত সংস্থান হিসেবে একটি চাকরির প্রত্যাশী।।


More Stories
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার
কুপার কনোলি জেতালেন পাঞ্জাবকে