Home » অবশেষে দিল্লির পথে সায়গল

অবশেষে দিল্লির পথে সায়গল

সময় কলকাতা ডেস্কঃ শিয়ালদা টু অমৃতসর জলন্ধর এক্সপ্রেস করে আসানসোল স্টেশনের চার নম্বর প্লাটফর্ম থেকে নিয়ে যাওয়া হল সায়গেল হোসেনকে। চারটের কিছুক্ষণ আগেই জেল থেকে সায়গলকে নিয়ে আসা হয় আসানসোল স্টেশনে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোল স্টেশনের ৫ নম্বর প্লাটফর্মে জিআরপি অফিসে রাখা হয়েছিল সায়গলকে। রেল পুলিশ ও জিআরপির পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে আসানসোল স্টেশন। এরপর এদিন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ আসানসোল সংশোধনাগার থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে ট্রেনে করে সায়গলকে নিয়ে রওনা দেয় পুলিশ।

প্রসঙ্গত, গরুপাচার কাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী। একাধিকবার তাঁকে জেরাও করেন তদন্তকারীরা। ৯ জুন সায়গল হোসেনকে তলব করা হয়। সেদিনই দফায় দফায় জেরার পর গ্রেপ্তার করা হয় সায়গলকে। আসানসোলে সংশোধনাগারে গিয়ে সায়গলকে জেরা করেছিলেন ইডির আধিকারিকরা। তদন্তে অসহযোগিতা করছে সায়গল, সেই কারণে, জেলবন্দী সায়গলকে গ্রেফতার করে ইডি। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে। সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে তদন্ত করতে চেয়ে আবেদন করেছিল আসানসোল আদালতে। কিন্তু বিশেষ সিবিআই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। তারপরেই হাইকোর্টে মামলা করে ইডি। কিন্তু সেখানেও ধাক্কা খাওয়ার পর দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউতে পিএমএলএ আদালতে আবেদন করে ইডি। অবশেষে ইডির আরজি মঞ্জুর করে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট। বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পায় ইডি।

অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষীকে জেরা করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। সায়গল হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। একজন সামান্য সরকারি কর্মচারীর এত সম্পত্তির উৎস কি ? তা জানতেই সায়গলকে দিল্লির সদর দফতরে নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি।

About Post Author