Home » গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে,সাগরের পরিকাঠামো নিয়ে বৈঠক সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর

গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে,সাগরের পরিকাঠামো নিয়ে বৈঠক সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রীর

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ‘সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর একবার’। গঙ্গার মর্ত্যে আসা ও সগর রাজার পুত্রদের জীবনদানের লোকগাথাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এই তীর্থভূমি। মকর সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় জমে এই গঙ্গাসাগর মেলায়। আর মাত্র কয়েকমাস পরেই গঙ্গাসাগর মেলা। তার আগেই গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি নিয়ে শুক্রবার সাগরের রুদ্রনগরে বিডিও অফিসে সমস্ত ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে।

ইতিমধ্যে একাধিক মন্ত্রী সাগরের পরিকাঠামো নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন। শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সাগরের রুদ্রনগের বিডিও অফিসে সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন উন্নয়ন বিষয়ক দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। এদিনের এই বৈঠকে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাকদ্বীপের মহকুমাশাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়,সাগরের বিডিও সুদীপ্ত মণ্ডল, চেয়ারম্যান সীমান্ত কুমার মালি,সাগরের সার্কেল ইন্সপেক্টর চন্দন কুসুম দাস, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান সহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের আধিকারিকরা।

অন্যদিকে রাজ্যের পূণ্যার্থীদের কথা মাথায় রেখে কিছুদিন আগেই সাগরে তৈরি হয়েছে ফুডকোর্ট। এই ফুড কোর্টে মিলবে ইডলি, ধোসা থেকে শুরু করে সমস্ত অবাঙালি খাবারের সন্ধ্যান। সাগর ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চয়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই ফুডকোর্টটি খোলা হয়েছে। এই ফুডকোর্টের নাম দেওয়া হয়েছে সাগর কন্যার ফুডকোর্ট।

এই ফুডকোর্টটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা পরিচালনা করবেন। ইতিমধ্যে এই ফুড কোর্টটি কাজ শুরু করে দিয়েছে। সাগরমেলার সময় এই ফুড কোর্টটি বাইরের রাজ্যেরর পূণ্যার্থীদের খাবারের চাহিদা পূরণ করবে। প্রতিবছর সাগর মেলায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়। তার মধ্যে অবাঙালি পূণ্যার্থীদের সংখ্যা বেশিই থাকে। তবে গত দুবছর অতিমারির কারণে বিধিনিষেধ থাকায় সাগর মেলায় তেমন ভক্ত সমাগম হয়নি। চলতি বছর আর করোনাবিধি না থাকায় সেই সংখ্যার অনেকটাই বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যচক পূণ্যার্থীদের স্বাভাবিক খাবারে যাতে কোনো প্রভাব না পড়ে সেজন্য এই ফুডকোর্ট সর্বদা খোলা থাকবে। বর্তমানে এই ফুডকোর্ট থেকে ১২ রকম খাবার পাওয়া যাচ্ছে।

About Post Author