সময় কলকাতা ডেস্কঃ লিভার সিরোসিস একটি জটিল সমস্যা। তবে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে লিভার সিরোসিস থেকে অনেকটা দূরে থাকা যায়। সাধারণত ভাইরাসজনিত কারণে লিভার সিরোসিস হয়। এক্ষেত্রে হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি-এর মতো কিছু ভাইরাসের কারণে লিভার সিরোসিস হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে লিভারের চর্বিজনিত প্রদাহের কারণে এ সমস্যা হতে পারে। লিভারকে সুস্থ রাখতে চাইলে কিছু খাবারের প্রতি মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবারকে উপেক্ষাও করতে হবে।
এই সময় কি কি খাবার খাবেন-
১.এই সময় আপনি খেতে পারেন ফল ও সবজি। এই জাতীয় খাবারে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন এ, সি, বি৬ এবং পটাশিয়াম। এক্ষেত্রে খেতে পারেন টমেটো, দুধ, পালংশাক, ব্রকোলি, স্ট্রবেরি, কমলালেবু, কলা, খেজুর, দই ইত্যাদি।
২.আপনার সিরোসিস থাকলেও খেতে হবে প্রোটিন। এক্ষেত্রে দুধ, দই, চিজের মধ্যে ভালো পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালশিয়াম রয়েছে।
৩.কফিও খেতে পারেন। এটি লিভারের অস্বাভাবিক এনজাইম ক্ষরণ হ্রাস করে লিভার রোগের ঝুঁকি কমায়।
৪.লিভার রোগীদের খাবার অলিভ অয়েলে রান্না করা উচিত। কারণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে এবং এটি লিভারের এনজাইম নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
৫. এই সময় রসুনও খেতে পারেন। এটি ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত রোগীদের দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কি কি খাবার এড়িয়ে চলবেন-
১.লিভার ভালো রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। তবে কফি ও কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে যান।
২.মাখন সহ অন্যান্য দুগ্ধজাত স্যাচুরেটেড ফ্যাট এড়িয়ে যেতে হবে এই সময়। পাশাপাশি এড়িয়ে যেতে হবে আইসক্রিম, ফ্রুট জুস, মদ ইত্যাদি।
৩.অতিরিক্ত পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য,যেমন-সাদা আটা, ময়দা, চাল বাদ দিতে হবে। এগুলো দেহের ব্লাড সুগারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
৪.লিভার ভালো রাখতে লবণ বাদ দিতে হবে। কারণ এটি দেহে জল জমার জন্য দায়ী যা লিভারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
৫.খাসির মাংসে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে যা লিভারের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলো খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।


More Stories
প্রাথমিক স্কুলের পাশেই পরিত্যক্ত ও আগাছায় ভরা কুয়ো! ভয়ে একা বেরোয় না শিশুরা
হাওড়ার ভাগাড়ের জঞ্জাল থেকে বিদ্যুৎ তৈরির পরিকল্পনা
শীতকালে ঠোঁট ফাটা নিয়ে চিন্তা? মেনে চলুন এই চার টিপস, লাগবে না কোনও পেট্রোলিয়াম জেলি