সময় কলকাতা ডেস্কঃ প্যাংক্রিয়াটাইটিস একটি জটিল রোগ। বর্তমানে এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে নানা কারণে এই জায়গায় প্রদাহ হতে পারে। তাই দ্রুত সুস্থ হতে আপনাকে খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে। খাবার নিয়ে সতর্ক অবশ্যই হতে হবে। এই পরিস্থিতিতে ভালো থাকতে সহজপাচ্য খাবার খান। এক্ষেত্রে প্যাংক্রিয়াটাইটিস রোগীরা ডায়েটে এই খাবার রাখতে পারেন-
রসুন
অগ্নাশয় সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রসুন। অগ্নাশয় ইনসুলিন উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় রসুনের পুষ্টি উপাদান। যার ফলে আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ হ্রাস করতে সুবিধা করে এবং আপনার অগ্নাশয় কে সুস্থ ও ভালো রাখে। তাই যারা প্যানক্রিয়েটাইটিস রোগী তারা প্রতিদিন দুই কোয়া করে রসুন খাওয়ার চেষ্টা করুন।
ছোটমাছ খান
ছোট মাছে রয়েছে ভালো পরিমাণে প্রোটিন। সেক্ষেত্রে ছোট মাছ খাওয়া সবথেকে ভালো। ১ কেজি ওজন পর্যন্ত মাছ আপনি খেতে পারেন। এর মাধ্যমে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটে। আপনি চাইলে ডিমও খেতে পারেন। এতে রয়েছে ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন।
ভাত খান
ভাত খুবই সহজপাচ্য একটি খাবার। এই খাবার থেকে ভালো পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট মেলে। তাই ভাতের মাধ্যমে শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি পৌঁছে যায়। এই খাবারে থাকা ক্যালোরি শরীরের জন্য খুবই জরুরি। তাই অনায়াসে এই খাবার খেতে পারেন। এবার শুধু ভাত নয়, পাশাপাশি চিঁড়ে, খই, মুড়ি খাওয়া যায়। এই খাবার খুব সহজেই হজম হয়। এমনকী অগ্ন্যাশয়ের উপরে চাপ পড়ে না। তাই চিন্তা নেই বললেই চলে।
লেবু
লেবুর মধ্যে যে সকল উপাদান রয়েছে তার সাহায্যে অগ্ন্যাসয়ে এনজাইম তৈরি হয়। লেবুর কার্যকারিতা প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় লেবু আবশ্যিক।

দই খান
প্যাংক্রিয়াটাইটিস রোগীরা অনায়াসে দই খেতে পারেন। কেননা দইয়ে রয়েছে ভালো ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের জন্য খুব ভালো। যদিও নিয়মিত দই খেলে অনেক ক্ষেত্রে বহু অসুখ দূরে থাকে। এছাড়া দইয়ে ক্যালশিয়াম সহ অন্যান্য খনিজ রয়েছে।


More Stories
চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা সরকারের
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু