Home » যোশীমঠের আতঙ্ক এবার জম্মু-কাশ্মীরে

যোশীমঠের আতঙ্ক এবার জম্মু-কাশ্মীরে

সময় কলকাতা ডেস্ক,৫ জানুয়ারি: যোশীমঠের ছায়া এবার জম্মু-কাশ্মীরে। ভূমিধসের জেরে জম্মু-কাশ্মীরের ডোডায় একটি মসজিদ ও একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ মোট ২১টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই গোটা এলাকা ঘুরে দেখা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফেও গোটা এলাকা পরিদর্শনের জন্য জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার একটি দল পাঠানো হয়েছে। শনিবারই  তাঁরা  গোটা এলাকা পরিদর্শন করেছে। প্রশাসন সূত্র খবর,বিশেষজ্ঞদের দেওয়ার রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার পাহাড়ে ধস নামে। এরপরই বাড়িগুলিতে ফাটল চওড়া হয়। এমনকী একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। ইতিমধ্যেই পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ও সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্টও গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন এবং বাসিন্দাদের সুরক্ষার জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।


এদিকে,যোশীমঠ ঘিরে আতঙ্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে। যোশীমঠে কান পাতলেই শোনা যাবে বহু মানুষের আর্তনাদ। ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই, ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য দেড় লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে প্রশাসন। কিন্তু ক্ষতিপূরণেও ক্ষোভ মিটছে না। যোশীমঠ বাঁচাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এহেন পরিস্থিতিতে তিন দফা পরিকল্পনা নিয়েছে চামোলি জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করা হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দল, রাজ্য পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে কর্মসূচিও ঠিক হয়েছে।


জেলাশাসকের তরফে জানানো হয়েছে,ভূমিধসে যাঁদের বাড়িঘর ও জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাঁদের অতিরিক্ত ১০০ বর্গমিটার করে জায়গা দেওয়া হবে। বাড়ি নির্মাণের জন্য ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে। তবে অতিরিক্ত জমি পেতে হলে সরকারের ঘরে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রশাসনের নির্দেশ মতই নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে। গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বল্প মেয়াদি, মধ্য মেয়াদি এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী মাটির কম্পন পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি সেখানে ঘরবাড়ি পুনর্নিমাণের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে চায় সরকার।

About Post Author