Home » চাকরি যাওয়া নবম-দশমের শিক্ষক ও গ্রুপ ডি কর্মীরা এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ

চাকরি যাওয়া নবম-দশমের শিক্ষক ও গ্রুপ ডি কর্মীরা এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারি:  নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ মামলায় এবার নয়া মোড়। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে চাকরি যাওয়া শিক্ষকরা এবার দ্বারস্থ হলেন কলকাতা হাইকোর্টেরই ডিভিশন বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাকরি হারানো ৯৫২ জন শিক্ষক এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছে। সেই মামলার শুনানিও শুরু হয়েছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট বিকৃত করে চাকরি পেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে হানা দিয়ে একটি কম্পিউটার হার্ডডিস্ক উদ্ধার করে।

অভিযোগ, সেই হার্ডডিস্কের তথ্য বিশ্লেষণ করেই জানা যায় এই ৯৫২ জন শিক্ষক উত্তরপত্র বিকৃত করেছিলেন। পরে ওই ওএমআর শিট খতিয়ে দেখে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি আদালতে স্বীকার করে নেয় ৮০৫ জনের বিকৃত করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টকেও সেই তথ্য জমা দেয় এসএসসি। এরপরই সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ওই ৮০৫ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরাই ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করেছেন। আবেদনকারীদের দাবি, অভিযোগ উঠলেও এর কতটা সত্যতা তার প্রমান হয়নি। তবুও তাঁদের চাকরি খোয়া গিয়েছে। এর ভিত্তিতেই তাঁরা ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছেন বলে খবর।

অপরদিকে গত শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্কুলের গ্রুপ ডি পদে ১,৯১১ জনের চাকরি বাতিল করেছিলেন। সূত্রের খবর, তাঁরাও কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে। সূত্রের খবর আজ অর্থাৎ সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। এই মামলটিও বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে। উল্লেখ্য, গ্রুপ ডি পদে ১,৯১১ জনের চাকরি বাতিল করে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, অবিলম্বে এসএসসিকে নির্দেশিকা জারি করে গ্রুপ ডি কর্মীদের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করতে হবে। এরপরই এসএসসি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। এবার কাজ হারানো গ্রুপ ডি কর্মীরাও উচ্চতর বেঞ্চে আবেদন করল।

About Post Author