সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ ফেব্রুয়ারি: ফের জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত পাকিস্তান। করাচিতে পুলিশের সদর দফতরে পুলিশ ও জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে মৃত অন্তত ৭। গুরুতর আহত আরও ১০ জন। ইতিমধ্যেই হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানি তালিবান জঙ্গি গোষ্ঠী তথা তেহরিক-ই-তালিবান। পাক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ করাচির শরিয়া ফয়জাল এলাকায় পুলিশ কর্তাদের দফতরে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা।
গত সপ্তাহেই পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিম অঞ্চলে এক বিস্ফোরণে ৮০ জনেরও বেশি পুলিশ অফিসার মারা যান।

ইতিমধ্যে ইসলামাবাদ ও অন্যান্য শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পাক প্রশাসন। কেননা, করাচি পুলিশের ওই সদর দফতর এলাকায় রয়েছে পুলিশের কোয়ার্টারও। যেখানে নিরাপত্তার বেষ্টনী বরাবরই মজবুত, সেখানে এমন হামলা নিঃসন্দেহে আশঙ্কাজনক। গত দেড় দশক ধরে পাক সেনাকর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের উপরে লাগাতার হামলা চালিয়েছে টিটিপি জঙ্গিরা। যার মধ্যে অন্যতম ২০১৪ সালে সেনা স্কুলের জঙ্গি হামলা। পেশোয়ারের স্কুলের ওই হামলায় ১৫৪ জন মারা যান।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মাটিতে লাগাতার নাশকতা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরিক-ই-তালিবান। পাক প্রশাসনের অভিযোগ, টিটিপি জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে তালিবান। পাকিস্তানে হামলা চালিয়ে আফগানিস্তানে আশ্রয় নিচ্ছে এই জঙ্গিরা। যদিও ইসলামাবাদের এই অভিযোগ মানতে নারাজ আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। তালিবান মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন পাক মদতপুষ্ট হক্কানি গোষ্ঠী। যদিও হক্কানিদের একেবারেই পছন্দ করে না তালিবান। কার্যত সেই কারণেই কিছুদিন পর পরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই চলেছে। আর পাকিস্তানিদের এই খেসারত দিতে হচ্ছে রক্তের বিনিময়ে। কিছুদিন আগেও কাবুলের একটি মসজিদ-এ প্রার্থনার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। যার জেরে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন ৬৫ জন। এমনকী মসজিদের ইমামেরও প্রাণ গিয়েছিল।


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক