Home » গোটা দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড তাপস মণ্ডল,দাবি সিবিআইয়ের

গোটা দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড তাপস মণ্ডল,দাবি সিবিআইয়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক,২০ ফেব্রুয়ারিঃ ফের বিস্ফোরক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপস মণ্ডল। সোমবার সকালে তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ, নীলাদ্রি ঘোষ-সহ নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ধৃত শেখ সাহিদ ইমাম, শেখ আলী ইমাম, আব্দুল খালেক ও কৌশিক ঘোষকে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃতদের ভূমিকা ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন আদালতে ঢোকার সময় ফের সংবাদ মাধ্যমের সামনে বোমা ফাটালেন তাপস মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘যে প্রভাবশালীর নামে অভিযোগ করেছিলাম সেই ফাঁসিয়েছে।’ পাশাপাশি নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করলেন তাপস মণ্ডল।

অপরদিকে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অপর ধৃত কুন্তলের দাবি,’যেটা ভেবেছিলাম সেটাই হয়েছে আমি খুশি।’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের দাবি, গোটা দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড তাপস মণ্ডল। কিন্তু একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে,এতদিন তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি? সিবিআই সূত্রে খবর, এতদিন ধরে তাপসের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাঁরা পেয়েছেন।’


প্রসঙ্গত.রবিবার দুপুরে তাপসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিবিআই। এরপর ঘণ্টাতিনেক জেরার পরই তাপস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। বিকেলে তাঁকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হল এসএসকেএম হাসপাতালে। সিবিআই জানিয়েছে, এদিন তাপস মণ্ডল ছাড়া নীলাদ্রি ঘোষ নামে আরও এক মিডলম্যানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও এর আগে তাপস মণ্ডলের দেওয়া বয়ানের ওপর ভিত্তি করেই গ্রেফতার করা হয়েছিল হুগলির তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে। এদিকে, তাপসের নাম প্রকাশ্যে আসে মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতারের পরই। অভিযোগ, এই তাপস মণ্ডল শিক্ষা সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কুন্তলকে জেরা করে নিয়োগ দুর্নীতিতে বিপুল পরিমান বেআইনি অর্থ লেনদেনের তথ্য হাতে এসেছে সিবিআই এবং ইডি-র গোয়েন্দাদের হাতে। সেখানেই কোনও যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে তাপস মণ্ডলের সঙ্গে। রবিবার তাপস মণ্ডলকে এসএসকেএম হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের সামনে মুখ খোলেন। তাপস এদিন অভিযোগ করেন, ‘আমি তো কুন্তলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছি তাই সে তো অভিযোগ করবেই। তবে কেন আমাকে গ্রেফতার করল বুঝতে পারছি না। সহযোগিতা এখনও করছি। তবুও গ্রেফতার করা হল আমাকে।’ উল্লেখ্য,, বেশ কয়েকদিন ধরেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হচ্ছিল সিবিআইকে। তাই এবার তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

About Post Author