Home » নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ উদ্ধব ঠাকরে

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ উদ্ধব ঠাকরে

সময় কলকাতা ডেস্ক,২০ ফেব্রুয়ারিঃ বালাসাহেব ঠাকরের তৈরি শিবসেনার প্রতীক ছিল তির-ধনুক। শুক্রবারই নির্বাচন কমিশনের রায়ে বালাসাহেবের ছেলে উদ্ধব ঠাকরের হাত থেকে দলের নাম ও প্রতীক বেরিয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, একনাথ শিন্ডেরাই আসল শিবসেনা। তারাই ওই নাম আর তির-ধনুক প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন। কার্যত সেকারণেই  সোমবার কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।  এদিকে দলীয় কার্যালয়ে এদিন বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বিধায়কদের একটি বৈঠকও ডাকা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

 

উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে মহারাষ্ট্রের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন তাঁরই সহকর্মী একনাথ শিণ্ডে। এরপরই একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে প্রায় ৪০ জন বিধায়ক শিবসেনা ছেড়ে বেরিয়ে যান। এহেন পরিস্থিতিতে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হন একনাথ শিন্ডে। তারপরেই নিজেদের আসল ‘শিব সেনা’ বলে দাবি করে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি চান শিণ্ডে। এবিষয়ে কমিশনকে উদ্ধব ঠাকরে জানিয়েছিলেন, ‘শিণ্ডে নিজে দলত্যাগ করেছেন, তিনি কখনই দলকে নিজের বলে দাবি করতে পারেন না।’ এরপর গত অক্টোবরে দলের প্রতীক ‘তির-ধনুক’ ‘ফ্রিজ’ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। জানিয়ে দেয়, আসন্ন নির্বাচনগুলিতে উদ্ধব ঠাকরে বা একনাথ শিণ্ডে, কোনও শিবিরই দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। অবশেষে কাটল জট। দলের নাম-প্রতীক দুই ব্যবহারের অনুমতি পেল শিণ্ডে শিবির। নিঃসন্দেহে এই সিদ্ধান্তে অস্বস্তিতে পড়েছে উদ্ধব শিবির।

যদিও একনাথ শিন্ডের গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কমিশন সবটাই খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম আমরাই আসল শিবসেনা। এবার সেটাই প্রমাণিত হল।’  এবিষয়ে উদ্ধব ঠাকরের  ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে, তাতে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।’

 

About Post Author