সময় কলকাতা ডেস্ক,২৪ ফেব্রুয়ারিঃ হাতির হানায় ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার পরই টনক নড়ল প্রশাসনের। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতই জঙ্গল এলাকার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ওপর চলছে কড়া নজরদারি। বড়জোড়া হাইস্কুল, বেলিয়াতোড় হাইস্কুল ও গদারডিহি হাইস্কুল এই তিনটি পরীক্ষাকেন্দ্রে জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলি থেকে পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পৌঁছতে পারে তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শুক্রবার জঙ্গল এলাকার ছাত্রছাত্রীদের গাড়ি করে পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে গেল প্রশাসন। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারে তার জন্য ইলেকট্রিক ফেন্সিং রয়েছে এমন রুটকেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ বাবার সঙ্গে কেবলপাড়া জুনিয়র হাইস্কুলে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল অর্জুন দাস নামের এক ছাত্র। সেসময়ই ঘটে যায় বিপত্তি। জলপাইগুড়ির বৈকন্ঠপুর জঙ্গল সংলগ্ন টাকি মারি এলাকায় একটি হাতির দলের সামনে পড়ে যায় অর্জুন। সেসময় অর্জুন পালানোর চেষ্টা করলে হাতিটিও তাঁর পিছনে দৌড়ায়। হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে যায় অর্জুন। তাঁর বুকে-পেটে মারাত্মক আঘাত লাগে। এরপরই আশঙ্কাজনক অবস্থায় অর্জুনকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর পেয়েই বনকর্মীরা ও মিলনপল্লী ফাঁড়ির পুলিশ মৃত অর্জুনের বাড়িতে যান। এদিকে, এই ঘটনার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। বন দফতরের গাফিলতির অভিযোগ তুলেও সরব হন তারা।


More Stories
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?