সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ মার্চ: দেড় বছর আগেই মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ ১২ জন বিধায়ককে দলে নিয়ে চমক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সে সময় মেঘালয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছিল বাংলার শাসকদল। এবার মেঘালয়ের বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করে নির্নায়ক ভূমিকা নেবে বলে মনে করেছিলেন তৃণমূল নেতারা। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই আশা নিরাশায় পরিনত হল ফল প্রকাশের পর। তবুও মেঘালয়ে নজর কাড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। ৬০ আসনের মেঘালয় বিধানসভায় ৫৬ আসনে লড়ে ১৩.৭ শতাংশ ভোট নিজেদের ঝুলিতে পুরে নিল বাংলার শাসকদল। এমনকি বিজেপি-কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে তৃতীয়স্থানে উঠে এল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে উত্তর-পূর্বের আরেক রাজ্য মণিপুরে ভোটে লড়ে তৃণমূল জিতেছিল ৭টি আসনে। সেবার মণিপুরে তৃণমূলের ঝুলিতে এসেছিল ১৭ শতাংশ ভোট। এখনও পর্যন্ত বাংলার বাইরে কোনও রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সেটাই ছিল সবচেয়ে ভালো ফল। ২০২৩ সালের মেঘালয় সেই রেকর্ড প্রায় ভেঙে ফেলেছিল তৃণমূল। প্রথমবার মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে খাতা খুলল তৃণমূল কংগ্রেস, পেল পাঁচটি আসন। যদিও এই বিধায়কদের ধরে রাখাই এখন তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

ইস্ট খাসি জেলার নংথাইম্মাই কেন্দ্রে জয় পেলেন তৃণমূল প্রার্থী চার্লস পিংগ্রোপ। তিনি মেঘালয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি। নিকটবর্তী প্রার্থীর থেকে ২০০০ এর বেশি ভোটে জয়ী হলেন চার্লস। এছাড়াও নংথাইম্মাই কেন্দ্র, আম্পাতি আসনেও জয় পেল তৃণমূল কংগ্রেস। ওই আসনে তৃণমূল এর মিয়ানি ডি সিরা জয়ী হলেন। ২০০০ হাজারেরও বেশী ভোটে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রাথী। নিকটবর্তী এনপিপিকে হারিয়ে জয়ী হল তৃণমূল। এছাড়াও মেঘালয়ে দাদেঙ্গি আসনেও জয়ী তৃণমূল। এনপিপিকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন রূপা এম মারাক তৃণমূলের। তবে উল্লেখযোগ্য টিকক্রিকিলা আসনে হেরে গেলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা। যদিও তিনি দুটি আসনে লড়ছেন। সনশাক আসনে জয়ী অধুনা তৃণমূল নেতা।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?