Home » সিবিআইয়ের পর এবার ইডি-র হাতে গ্রেফতার মনীশ সিসোদিয়া

সিবিআইয়ের পর এবার ইডি-র হাতে গ্রেফতার মনীশ সিসোদিয়া

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১০ মার্চ: দিল্লির আবগারি দুর্নীতি কান্ডে এবার আরও বিপাকে দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। সিবিআই-এর পর এবার ইডির হাতেও গ্রেফতার মণীশ সিসোদিয়া। বৃহস্পতিবার তাঁকে ম্যারাথন জেরার পর এমনটাই জানায় ইডি। সূত্রের খবর, আজই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করার জন্য হাইকোর্টের কাছে আর্জি জানাতে পারে ইডি। এহেন পরিস্থিতিতে দুটি মামলায় জামিনের জন্য তাঁকে পৃথকভাবে লড়াই করতে হবে। অন্যদিকে, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতাকেও সমন পাঠিয়েছে ইডি। মণীশ সিসোদিয়া ইতিমধ্যেই   সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে জামিনের আবেদন করেছেন।

ইডির গ্রেফতারির প্রসঙ্গে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি টুইট করে বলেন, “প্রথমে সিবিআই মণীশকে গ্রেফতার করল। সিবিআইয়ের কাছে কোনও প্রমাণ নেই। শুক্রবার জামিনের শুনানি রয়েছে। মণীশ এদিনই জামিন পেয়ে যেত। সেই কারণেই  ইডি গ্রেফতার করল তাঁকে। এদের একটাই টার্গেট, যেভাবেই হোক মণীশকে জেলের ভিতরে রাখতে হবে।  সাধারণ মানুষ সব কিছু দেখছে। সাধারণ মানুষই এসবের উপযুক্ত জবাব দেবে।”

উল্লেখ্য,গত বছরই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিতর্কের দানা বেঁধেছিল। এরপরই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার নির্দেশেই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ইডি ও সিবিআই। কারণ, আবগারী বা মদ বিক্রি নীতিতে মূল অভিযোগই ছিল বেআইনিভাবে পথে অর্থ উপার্জন। তিন মাস আগেই সিবিআই এই মামলার চার্জশিটও পেশ করে। সিবিআইয়ের ওই চার্জ শিটে মণীশ সিসোদিয়া সহ ১৫ জনের নাম ছিল। ১১ পাতার ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভুয়ো অ্যাকাউন্টের নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। মনীশের বিরুদ্ধে সিবিআই যে ধারাগুলিতে মামলা দায়ের করেছিল, তারমধ্যে দুটি ধারা ইডির প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে তদন্তের অধীনে পড়ে। সেগুলি হল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০-বি এবং ৪৭৭। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারার মামলা দায়ের হয়েছিল।

About Post Author