Home » ইডি দফতরে কেসিআর কন্যা

ইডি দফতরে কেসিআর কন্যা

সময় কলকাতা ডেস্ক,২০ মার্চঃ সব জল্পনার অবসান। দিল্লির আবগারি দুর্নীতি কাণ্ডে অবশেষে দ্বিতীয়বারের জন্য ইডি অফিসে হাজিরা দিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতা। দু’সপ্তাহ আগেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কবিতাকে টানা নয় ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা করে ইডি-র আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, আবগারি দুর্নীতি মামলায় ধৃত দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার মুখোমুখি বসিয়ে কবিতাকে জেরা করা হতে পারে। এদিকে,দিল্লির আবগারি দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআই-এর পর গত সপ্তাহে ইডির হাতেও গ্রেফতার হয়েছে মণীশ সিসোদিয়া। দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ইডি। জানা গিয়েছে, ২০ মার্চ পর্যন্ত মণীশ সিসোদিয়াকে রাখা হবে তিহাড় জেলে। ২১ মার্চ মণীশের সিবিআইয়ের মামলায় জামিনের আবেদনের শুনানি হবে।

আরও পড়ুন   স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন চিকেন কলমি কাবাব

প্রসঙ্গত,ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী কবিতা, সাউথ গ্রুপ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান। দিল্লির আবগারি নীতি তৈরি এবং মদের ডিলার বাছাইয়ে মূলত দিল্লি এই প্রতিষ্ঠানটি প্রভাব খাটায় বলে অভিযোগ। প্রভাব খাটিয়ে তেলেঙ্গানার বেশ কয়েকজন মদ ব্যবসায়ীকে দিল্লিতে বড় বরাত পাইয়ে দিয়েছিল বলেই অভিযোগ জমা পড়ে ইডি ও সিবিআইয়ের কাছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিনিময়ে ঘুষ বাবদ একশো কোটির বেশি টাকা ঢুকেছিল এই প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের কাছে। তাদের আরও দাবি, সেখান থেকে ঘুষের টাকা যায় দিল্লির শাসক দল আপ আদমি পার্টির তহবিলে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছে কবিতার হাত হয়ে টাকার ভাগ ভারত রাষ্ট্র সমিতির তহবিলেও জমা হয়েছে কিনা।

আরও পড়ুন  ফের অসুস্থ অনুব্রত মণ্ডল, নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে

উল্লেখ্য,গত বছরই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিতর্কের দানা বেঁধেছিল। এরপরই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার নির্দেশেই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ইডি ও সিবিআই। কারণ, আবগারী বা মদ বিক্রি নীতিতে মূল অভিযোগই ছিল বেআইনিভাবে পথে অর্থ উপার্জন। তিন মাস আগেই সিবিআই এই মামলার চার্জশিটও পেশ করে। সিবিআইয়ের ওই চার্জ শিটে মণীশ সিসোদিয়া সহ ১৫ জনের নাম ছিল। ১১ পাতার ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভুয়ো অ্যাকাউন্টের নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। মনীশের বিরুদ্ধে সিবিআই যে ধারাগুলিতে মামলা দায়ের করেছিল, তারমধ্যে দুটি ধারা ইডির প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে তদন্তের অধীনে পড়ে। সেগুলি হল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০-বি এবং ৪৭৭। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারার মামলা দায়ের হয়েছিল।

About Post Author