সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ মার্চঃ বুধবার ধর্না মঞ্চ থেকে ডিএ আন্দোলনকারীদের ‘চোর-ডাকাত’ বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মন্তব্যের পরই রাজ্যজুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, অধীর চৌধুরী সকলেই একযোগে আক্রমণ করেন মমতাকে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের বিরোধিতা করে বৃহস্পতিবারই মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিশে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে রাজপথে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারীরা। হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হয়েছে মহামিছিল। প্রত্যেকেই এদিন কালো ব্যাজ ধারণ করে মিছিলে হাটছেন।
আরও পড়ুন প্রকাশ্যে ‘পোনিয়িন সেলভান ২’-এর ট্রেলার!

ডিএ মঞ্চে উপস্থিত এক আন্দোলনকারী জানিয়েছেন, “দিদি যদি ১২ বছর চোর-ডাকাতদের সঙ্গে কাজ করে বিশ্বশ্রী নিয়ে আসেন,আমি সেই চোর-ডাকাতদের দলেই। আমরা যোগ্যতা নিয়ে চাকরি করছি। উনি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে কীভাবে রাজ্য কর্মচারিদের চোর-ডাকাত বলতে পারেন? কাদেরকে কী বলতে হয় তিনি জানেন না?” ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীদের দাবি, “আমাদের চোর-ডাকাত বলার যোগ্য জবাব পাবেন আজ। উনি আমাদের প্রতি অশালীন মন্তব্য করেছেন। ওনার রাজ্যের কর্মচারিরা চোর-ডাকাত হলে উনি তো পুলিশ মন্ত্রী। আমাদের গ্রেফতার করছেন না কেন? কারা চিরকূটে চাকরি পেয়েছে এক্ষুনি প্রকাশ করুন।”

আরও পড়ুন অসুস্থ জিতেন্দ্র তিওয়ারি,ভর্তি আসানসোল জেলা হাসপাতালে!
মুখ্যমন্ত্রীর চোর-ডাকাত মন্তব্যের পর রীতমত ক্ষোভে ফুঁসেছে ধর্না মঞ্চ। তারই প্রতিবাদে হাওড়া-শিয়ালদহ থেকে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারীরা মিছিল করে পৌছান শহীদ মিনারে। সরকারি কর্মচারীদের দাবি,শাসকদলের বুধবারের জমায়েতের থেকেও বহু গুণ বেশি জমায়েত এদিন হবে। এই সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। অন্যদিকে, হাওড়াতেও বিপুল জমায়েত হয়েছে এদিন সরকারি কর্মচারীদের। যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “পাগলের কথায় উত্তর দিতে চাই না। ওনার মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন।” বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী এদিন শিয়ালদাহ এবং হাওড়া স্টেশনে জমায়েত শুরু করেন সকাল থেকে। এরপর মিছিল করে তারা এসে উপস্থিত হন শহীদ মিনার পাদদেশে।


More Stories
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক