Home » জিতেন্দ্র তিওয়ারির শারীরিক অবস্থার অবনতি!

জিতেন্দ্র তিওয়ারির শারীরিক অবস্থার অবনতি!

সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ মার্চঃ আসানসোল কম্বলকাণ্ডে ধৃত বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির শারীরিক অবস্থার অবনতি। কার্যত সেকারণেই এবার বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে। বুধবার রাতের দিকে হঠাৎ করেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। সেইসঙ্গে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও ছিল। এরপরই তড়িঘড়ি তাঁকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য যথাযথ পরিকাঠামো নেই আসানসোল জেলা হাসপাতালে। তাই বিজেপি নেতাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন   অসুস্থ জিতেন্দ্র তিওয়ারি,ভর্তি আসানসোল জেলা হাসপাতালে!


আসানসোল কম্বলকাণ্ডে গত ২৮ মার্চ বিজেপি নেতাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আসানসোল আদালত। ওইদিন আসানসোল সিজেএম আদালতে জিতেন্দ্রর কম্বল বিতরণ নিয়ে মামলার শুনানির শুরুতেই সরকারি আইনজীবী জিতেন্দ্রকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজত দেওয়ার আবেদন জানান। আইনজীবী বলেন, ‘কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে যে বিদ্যুতের বিল দেখানো হয়েছে তা ভুয়ো, ওই দিন যে ডেকরেটর কাজ করেছিলেন তাঁর লাইসেন্স নেই, ৩ হাজার কম্বল কিনে ৬ হাজার কুপন বিলি করা হয়েছিল। তদন্তে নেমে এরকমই নানা তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তাই ঘটনার অন্তর্নিহিত কারণ জানতে পুলিশি হেফাজত নেওয়া যেতে পারে।’ হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে তদন্ত বিনা বাধায় অগ্রসর হবে। তাই তদন্তের স্বার্থেই জিতেন্দ্র কে আবার পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যদিও সরকারি আইনজীবীর যুক্তির পাল্টা বিরোধিতা করে জিতেন্দ্রর জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী।

আরও পড়ুন    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তবে কি কেন্দ্রীয় সরকারের কাঠ পুতুল?

উল্লেখ্য, আসানসোল কম্বল বিতরণকাণ্ডে পদপিষ্টের ঘটনায় বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ১৮ মার্চ গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর ১৯ মার্চ সকাল তাঁকে আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয়। এদিন মামলার শুনানি শেষে জিতেন্দ্রকে আট দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও এজলাসে তাঁর হয়ে কোনও আইনজীবী ওইদিন সওয়াল করেননি। এমনকী আদালতে জামিনেরও আবেদন করেননি তিনি। এ প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র বিচারককে জানিয়েছিলেন, তিনি নিজেই লড়বেন নিজের মামলা। কার্যত সেকারণেই তিনি নিজে আদালতের সামনে ওইদিন জামিনের জন্য আবেদনও জানান। কিন্তু,বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

About Post Author