সময় কলকাতা স্পোর্টস ডেস্ক,৭ এপ্রিল :
বৃহস্পতিবার ইডেনের সন্ধ্যায় শার্দুল ঠাকুর মনে করালেন অনেক কিছুই। লর্ড শার্দুল মনে করালেন প্রেক্ষাপট এবং ফলাফল । ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল আর ২০২৩ সালের ৬ এপ্রিল। অনেকটা সময়ের ব্যবধান আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ আর আইপিএলের ১৬ তম মরশুমের নবম ম্যাচের মধ্যে।অনেক কিছু পাল্টেছে। কিন্তু একই প্রতিপক্ষ একই মাঠে মুখোমুখি।সেদিন কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছিল বড় ব্যবধানে জিতেছিল রয়েল চ্যালেঞ্জারস ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে। কেকেআরের প্রায় প্রত্যেক বোলারই সফল হয়েছিলেন সেদিন, বৃহস্পতিবারও কেকেআরের বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হল আরসিবি। তথাপি সেদিনের মত এদিনও রানের বোঝা আরসিবির ওপরে চাপিয়ে দিয়েছিল কেকেআর।২০০৮ সালে ব্রান্ডন ম্যাকুলামের ব্যাটিং দাপটে ছারখার হয়ে যায় ব্যাঙ্গালোর । বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্গালোর কে পর্যুদস্ত করে কেকেআর জিতল মূলত শার্দুল ঠাকুরের ব্যাটিং বিক্রমে।

এদিন কেকে আরের শুরু মোটেই ভালো হয় নি।আফগান ওপেনার -কিপার গুরবাজ ৫৭ রান করলেও ৮৯ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বসে কেকেআর। এসেই
শার্দুল ঠাকুর ব্যাট ঘোরাতে থাকেন প্রবল বিক্রমে। লর্ড শার্দুল ২০ বলে ৫০ রান করে ফেললেন দ্রুত যা কিনা জোস্ বাটলারের সাথে এবারের আইপিএলে যুগ্মভাবে এখনও দ্রুততম।শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৬৮ রান করেন তিনি।আর শার্দুলের প্রতাপ দেখে সাহসী হয়ে উঠলেন রিঙ্কু সিং। শার্দুলের পাশে দ্রুত মানানসই হয়ে উঠলেন রিঙ্কু সিং যিনি কোন সমীকরণে দলে থাকেন তাই এখনও অব্দি অনেকেরই বোধগম্য নয়।বেশ কয়েক বছর ধরে আঠেরোটি ম্যাচ খেলে রিঙ্কুর সংগ্রহে ছিল দুশোর সামান্য বেশি রান, সেই রিঙ্কু সিংও আইপিএলে তাঁর সর্বোচ্চ ৪৬ রান করে ফেললেন।তবে তিনি ছিলেন শার্দুলের পাশে কেবলমাত্র পার্শ্বচরিত্র। তাঁদের দুজনের ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে ব্যাঙ্গালোরের বোলারদের এদিন সাদামাটা দেখিয়েছে। উইলি ছাড়া কোনো বোলারকে রেয়াৎ করেন নি কেকেআর।ষষ্ঠ উইকেটে শার্দুল- রিঙ্কুর জুটিতে ওঠে ১০৩ রান। ফলশ্রুতি কলকাতা নাইট রাইডার্স তোলে ৭ উইকেটে ২০৪ রান।

এরপরে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর ব্যাট করতে নেমে প্রথম চার ওভারে কেকেআর পেসারদের বিরুদ্ধে ভালোই শুরু করে। কোহলি ও ডুপ্লেসি প্রথম ৪ ওভারে ৪২ রান তুলে নেন। কিন্তু স্পিনাররা আক্রমণে আসতেই দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও অধিনায়ক ডুপ্লেসি পর পর দু ওভারে আউট হয়ে যান।বিরাটের সংগ্রহ ছিল ২১। ডুপ্লেসি করেন ২৩। এখানেই যেন প্রতিরোধ শেষ হয়ে যায় ব্যাঙ্গালোরের প্রতিরোধ ।ঘাতক হয়ে ওঠেন সুনীল নারিন ও বরুন চক্রবর্তী। বরুন পান সর্বোচ্চ চারটি উইকেট। শেষপর্বে কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেওয়ার কাজ সারেন নবাগত স্পিনার সুয়াশ শর্মা। তবে আরসিবির বোলিংকে এদিন কার্যত যেভাবে তাঁর ব্যাটিংয়ের সময় ক্লাবস্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন শার্দুল ঠাকুর তখন থেকেই ছন্নছাড়া হয়ে যায় গোটা আরসিবি শিবির। লর্ড শার্দুল ই ছিলেন বৃহস্পতিবার ইডেনের নায়ক।।


More Stories
আজ ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান ডার্বি দিয়ে শুরু ডুরান্ড,এগিয়ে কে, দেখবেন কোথায়?
ভিভিএস লক্ষ্মণের হাত ধরে জয়ের রাস্তায় ফিরল ভারত
একই দিনে জন্ম, দুই ফাস্ট বোলারকে দিয়ে আক্রমণ শুরু ভারতের