Home » মিলল না রক্ষকবচ! নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন অভিষেক

মিলল না রক্ষকবচ! নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন অভিষেক

সময় কলকাতা ডেস্ক,১০ জুলাই: নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়কেই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। অভিষেকের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি যেমন তদন্ত চলছিল সেই রকমই তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। প্রয়োজনে আবারো তাদের ডেকে পাঠাতে পারবে এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে বিচারপতি অভিষেককে এফআইআর খারিজের আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন। কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এম ভি রাজু মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টে জানান, “শিক্ষক নিযোগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে কিছু যোগ পাওয়া গেছে।” দুই পক্ষের সওয়াল জবাবের পর শীর্ষ আদালতের তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও রক্ষাকবচ দেওয়া হল না সোমবার। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশ কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

এদিকে, প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গত সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, এই ব্যাপারে নতুন করে মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে। গত ১২ মে এক নির্দেশে ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও পরে বিচারপতি তাঁর নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করে জানান, ৩৬ হাজার নয়, ৩২ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হচ্ছে।

আরও পড়ুন   সোমবার রাজ্যে ৬৯৬ বুথে পুনর্নির্বাচন

বিচারপতি আরও জানান, তিন মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে এই শূন্যপদে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। চাকরিহারারা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ কিছুটা পরিবর্তন করে। জানায়, এখনই চাকরি যাবে না ৩২ হাজার শিক্ষকের। কিন্তু পর্ষদকে নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবে সেই নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে ওই ৩২ হাজার শিক্ষককে। এই মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সেখানেই কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দেওয়া হয়।

About Post Author