Home » আইরিশম্যান রবার্ট ডি নিরোর রূপকথা

আইরিশম্যান রবার্ট ডি নিরোর রূপকথা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ আগস্ট : হালে ” দ্য আইরিশম্যান” যারা দেখেছেন তাঁরা তো বটেই, বিগত অর্ধ শতাব্দী ধরে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের  সঙ্গে  যাদের যোগ তাঁরা রবার্ট ডি নিরো নামটির সঙ্গে পরিচিত।উনবিংশ ও বিংশ শতক – দুই শতকের সেরা অভিনেতার তালিকায় তিনি থাকবেন। এই প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রাভিনেতাদের অন্যতম হিসাবে গণ্য করা হয় রবার্ট ডি নিরোকে।১৭ আগস্ট তাঁর জন্মদিন। এবছর ৮১ বছরে পা দিলেন তিনি।

রবার্ট ডি নিরো এইচবি স্টুডিও, স্টেলা অ্যাডলার কনজারভেটরি এবং লি স্ট্রাসবার্গের অ্যাক্টরস স্টুডিওতে অভিনয় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।স্কোরসেসের সাথে তার প্রথম সহযোগিতা ছিল 1973 সালের মিন স্ট্রিটস চলচ্চিত্রের সাথে।
ডি নিরো দুটি অস্কার বা অ্যাকাডেমি পুরষ্কার অর্জন করেন- ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার দ্য গডফাদার পার্ট II (1974)-এ ভিটো কোরলিওনের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার জন্য এবং অন্যটি স্কোরসেসের নাটক (1 9 0) তে জেক লামোটা চরিত্রে অভিনয় করে সেরা অভিনেতার জন্য।
তাঁর অন্যান্য অস্কার-মনোনীত ভূমিকা ছিল যে চলচ্চিত্র গুলিতে-  সেগুলি হল -ট্যাক্সি ড্রাইভার (1976), দ্য ডিয়ার হান্টার (1978), অ্যাওয়েকেনিংস (1990), কেপ ফিয়ার (1991), এবং সিলভার লাইনিংস প্লেবুক (2012)।

তাঁর অভিনয় দর্শকদের দিয়েছে অপার মুগ্ধতা। এই তালিকায় রয়েছে -1900 (1976), দ্য কিং অফ কমেডি (1982), ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন আমেরিকা (1984), ব্রাজিল (1985), দ্যা মিশন (1986), গুডফেল্লাস (1990), দ্যা বয়েস লাইফ (1993), মেরি শেলি’স ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (1994), হিট (1995), ক্যাসিনো (1995), জ্যাকি ব্রাউন (1997), দ্য গুড শেফার্ড (2006), জোকার (2019), দ্যা আইরিশম্যান (2019),কিলার্স অফ দ্যা ফ্লাওয়ার মুন (২০২৩)ডি নিরো এছাড়াও 1993 সালের চলচ্চিত্র এ ব্রঙ্কস টেল পরিচালনা করেছিলেন।তার কমেডি ভূমিকাগুলির মধ্যে রয়েছে মিডনাইট রান (1988), ওয়াগ দ্য ডগ (1997), এনালাইজ দিস (1999), মিট দ্য প্যারেন্টস ফিল্ম (2000-2010), এবং দ্য ইন্টার্ন (2015)।

দ্য গডফাদার পার্ট II বা গুড ফেল্লাস চলচ্চিত্র দুটি  রবার্ট ডি নিরোর অভিনয় সমৃদ্ধ- এধরণের অপরাধ জগত সংক্রান্ত ঘটনা নিয়ে হওয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় ছিল যেন তাঁর সহজাত তাই গ্যাংস্টার,মাফিয়া জগত, অপহরণ ও হত্যা সংক্রান্ত থ্রিলার দ্যা আইরিশম্যান চলচ্চিত্রটিতে তাঁকে কেন্দ্রীয় চরিত্রটিতে তাঁকে বিবেচনা করা হয়েছিল আর এখানে অভিনয় জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও তিনি নিজের অসামান্য দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। চলচ্চিত্র ছাড়াও ছোট পর্দায় তিনি কম অভিনয় করেন নি এবং যখন যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেখানে প্রাণ ঢেলে নিজের সেরাটুকু দিয়েছেন। চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গিয়েছেন। ফলশ্রুতি তাঁর অভিনয় সমৃদ্ধ চলচ্চিত্র সবসময় নজর কেড়েছে ও সাফল্য পেয়েছে।।

About Post Author