Home » ধর্ষণ ও ধর্মান্তরিত করে তালাক দেওয়ার অভিযোগ থানে জেলায়

ধর্ষণ ও ধর্মান্তরিত করে তালাক দেওয়ার অভিযোগ থানে জেলায়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ আগস্ট : মহারাষ্ট্রের থানে জেলার একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং অপরাধমূলক ভয় দেখানোর অভিযোগে একটি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে যা কিনা ভয়ঙ্কর অপরাধের পাশাপাশি অভিনব অভিযোগ । থানে জেলারই ২৭ বছর বয়সী এক মহিলা অভিযোগ করেছেন যে,  তিনি যাকে বিশ্বাস করে বিয়ে করেছিলেন তিনি বিয়ের সময় তার প্রকৃত পরিচয় গোপন  করেছিলেন, তাকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে বাধ্য করেছিলেন এবং তারপরে তাকে আবার বিয়ে করেছিলেন।তাছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন তাকে প্রায় জোর করে ও বিনা কারণে তিন তালাক দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রেই জানা গিয়েছে অভিযুক্তর সন্ধানে থানে জুড়ে তল্লাশি অব্যাহত থাকলেও এখনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযুক্তর পরিচয় জানা গিয়েছে।  রাজু ওরফে সিরাজ কুরেশি, ভিওয়ান্ডির বাসিন্দাকে পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে ।ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর) অনুসারে, ভুক্তভোগী মহিলা ২০১৮ সালে তার স্বামীর থেকে আলাদা হয়েছিলেন। নিজের এবং তার সাত বছরের মেয়ে ভালো থাকার জন্য তিনি জীবনসংগ্রাম চালাচ্ছিলেন।

২০১৯ সালে, মহিলাটি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অভিযুক্তের সাথে বন্ধুত্ব করে যে নিজেকে রাজু বলে পরিচয় দেয়।তিনি মহিলাকে বলেছিলেন যে তিনি ভিওয়ান্ডিতে একটি হোটেলের মালিক এবং তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।তিনি ২০২০ সালের শুরুতেই একটি লজে মহিলাটিকে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন৷ সেই বছরের ২৬ জানুয়ারি তিনি হিন্দু রীতি অনুসারে মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তি বিয়ের এক বছর পর সিরাজ কোরেশি হিসাবে তার প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ করে। সে জানায়, মহিলাকে তার সাথে থাকতে হ’লে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে।  অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বাধ্য মহিলা তার দাবি মেনে নেন এবং পরে তারা গত মে মাসে ইসলামিক রীতি অনুযায়ী আবার বিয়ে করেন।

পুলিশের কাছে মহিলা অভিযোগ করেছেন,এই বছর মে মাসে,কুরেশি মহিলাকে তালাক দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগেন। অভিযুক্ত মহিলাকে বলেছিলেন যে তিনি ইতিমধ্যেই চার সন্তান সহ বিবাহিত মহিলাকে বিয়ে করেছেন এবং যদি তাঁরা তাদের সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন তবে তিনি পৈতৃক সম্পত্তিতে তার অংশ হারাবেন এবং এই অছিলায় তাকে তিন তালাক দিয়ে দেন।

অতঃপর মহিলা পুলিশের শরণাপন্ন হন  এবং কুরেশির বিরুদ্ধে ভারতীয় ধারা 420 (প্রতারণা এবং অসাধুভাবে সম্পত্তি বিতরণে প্ররোচিত করা), 376 (ধর্ষণের জন্য শাস্তি), 506 (অপরাধমূলক ভয় দেখানো), 323 (স্বেচ্ছায় আঘাত দেওয়ার শাস্তি) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়াও মুসলিম নারী (বিবাহের অধিকার সুরক্ষা) আইন (২০১৯) অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।।

About Post Author