সময় কলকাতা ডেস্ক, ৯ সেপ্টেম্বরঃ তুরস্কের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত এখনও দগদগে। এবার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মরক্কো। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৮। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে এখনও পর্যন্ত ২৯৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ কেঁপে ওঠে মধ্য মরক্কোর বিস্তীর্ণ এলাকা। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, শহরের বাড়িঘর তাসের ঘরের মতো কাঁপতে কাঁপতে ধসে পড়তে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয় গোটা এলাকা।
আরও পড়ুন নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় দিনভর ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
ভয়াবহ ভূমিকম্পে একটি মসজিদ এবং বেশ কয়েকটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট সহ অজস্র বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। আতঙ্কিত বাসিন্দারা ভয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন। রাতে ঘুমিয়ে থাকার কারণে বাড়িঘর ধসে পড়ায় চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে সূত্রে খবর, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মরোক্কোর মারাকেশ থেকে ৭২ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে। উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ১৮.৫ কিলোমিটার। ইতিমধ্যেই ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এই দুঃসময়ে মরক্কোর মানুষকে সমবেদনা জানাই। ভারত সবরকমের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত।’

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের ৬ তারিখ ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে তুর্কি ও সিরিয়া। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৮। এই ভূমিকম্পের পরই কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে তুর্কি এবং সিরিয়া। চোখের নিমেষে ভেঙে পড়ে লক্ষাধিক বাড়ি। কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এই দুই দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। মৃত্যু হয় ৬২ হাজারেরও বেশি মানুষের। ভূমিকম্পের পরপরই সেখানে উদ্ধার কাজে নামেন ভারতীয় সেনা ও এনডিআরএফ-র টিম। প্রায় একমাস ধরে চলেছে উদ্ধার কাজ। বিশেষজ্ঞদের অনুমান এই জোরাল ভূমিকম্পের পর মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে তুর্কি।


More Stories
বুমরা-র পাঁচ উইকেট , ৪৬ রানে এগিয়ে গেল ভারত
Lahore: নিজেদের দেশে বৃষ্টি নামাতে চায় পাকিস্তান, কেন?
Earthquake: জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জম্মু ও কাশ্মীর, কম্পন অনুভূত পাকিস্তানেও