Home » বাঙালির মননে বিদ্যাসাগর : বারাসাত সামাজিকের ‘মনন দিবস’ উদযাপন

বাঙালির মননে বিদ্যাসাগর : বারাসাত সামাজিকের ‘মনন দিবস’ উদযাপন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর : বাঙালির জীবনে আলোর দিশারী তিনি। ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় যিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নামে সমধিক পরিচিত- তাঁর ২০৪তম জন্মদিন ছিল মঙ্গলবার। বাঙালিদের মধ্যে তাঁর প্রভাব আজও অপরিসীম।শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক বিদ্যাসাগরের প্রভাব বাংলা ও বাঙালির মননে। তাঁর দেখানো আলোর পথ ধরে, আজও বাংলার নগরে – প্রান্তরে শিক্ষা প্রসারলাভ করে, সামাজিক আন্দোলন হয়। বিভিন্ন সেবামূলক কাজ হয়। ‘বারাসাত সামাজিক” এরকমই এক সেবাপ্রতিষ্ঠান যারা বিদ্যাসাগরের কর্মকাণ্ড ও মননশীলতাকে তাদের পাথেয় করেছে, সারাবছর ধরেই চলছে তাদের অনন্য সামাজিক ও মননশীল প্রয়াস। মনীষী বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে ‘মনন দিবস’ হিসেবে উদযাপন করল বারাসাত সামাজিক সেবাপ্রতিষ্ঠান। অঙ্গদান সহ বিভিন্ন মানবিক সমাজবদ্ধ কর্মসূচী নতুন দিগন্তে ডানা মেলল খারাপ অবস্থায় থাকা এক বিদ্যালয়ের সংস্কার ও বারাসাত সামাজিকের মুখপত্র প্রকাশের মধ্যে দিয়ে।

উল্লেখ্য,১৮২০ সালে বিদ্যাসাগরের জন্ম। তাঁর ৭১ বছরের জীবনে তাঁর বহুবিধ সামাজিক প্রয়াস ডালপালা ছড়িয়ে দিয়েছিল বঙ্গজীবনে যার প্রসার বঙ্গ ছাড়িয়ে সমগ্র ভারতে ব্যাপ্তি পেয়েছিল। তিনি শিক্ষায় ও সংস্কারে দিয়েছিলেন দিশা, নারীমুক্তিতে দিয়েছিলেন প্রাণ। স্ত্রী শিক্ষা,বিধবা বিবাহ সহ একাধিক সামাজিক আন্দোলনে পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি। তিনি বাল্যবিবাহ সহ একাধিক সামাজিক অভিশাপও দূর করেছেন। তাঁর মৃত্যুর ১৩২ বছর পরেও বাঙালির মননে থেকে গিয়েছেন তিনি। তাঁর মননশীলতাকে আদর্শ করে দেশ ও জাতির যে অগ্রগতি, তারই ধারক-বাহক বারাসাত সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠান। বারাসাত সামাজিকের সম্পাদক সুজন ভট্টাচার্যের বক্তব্যের রেশ ধরে বলাই যায়, মননশীলতায় উনবিংশ শতকে বঙ্গের শিক্ষা-সমাজসংস্কারে নবজাগরণ আনা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আজও বড্ড প্রাসঙ্গিক। ‘ মনন দিবস ‘ উদযাপনের মধ্যে দিয়ে বারাসাত সামাজিকের তাঁকে স্মরণ করার প্রয়াসও তাই বড্ড প্রাসঙ্গিক ।

আরও পড়ুন :নাগর্নো-কারাবাখের একটি জ্বালানী ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ২০, আহত শতাধিক

About Post Author