Home » বিহারে নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসের কামরাগুলিকে সড়াতে গিয়ে ফের লাইনচ্যুত ইঞ্জিন

বিহারে নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসের কামরাগুলিকে সড়াতে গিয়ে ফের লাইনচ্যুত ইঞ্জিন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ অক্টোবরঃ ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও দগদগে। তারই মধ্যে বুধবার রাত ৯টা ৩৫ নাগাদ বিহারের বক্সার জেলার রঘুনাথপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হয় ১২৫০৬ আনন্দ বিহার-কামাখ্যা নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসের ২১টি বগি। লাইনচ্যুত বগিগুলির মধ্যে একটি জেনারেল কোচ এবং দুটি এসি কোচ ছিল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এদিন ট্রেনটি দিল্লির আনন্দ বিহার স্টেশন থেকে অসমের দিকে যাচ্ছিল। এরপর বক্সার থেকে আরার মধ্যে এক জায়গায় ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৪ জনের। আহত হন কমপক্ষে আরও ৭৫ জন। এই দুর্ঘটনার রেশ না কাটতেই ফের ওই নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা। শুক্রবার রাতে নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসের কামরাগুলিকে একটি ইঞ্জিন লুপ লাইনে নিয়ে আসছিল। রঘুনাথপুর স্টেশনের কাছেই ঘটে যায় বিপত্তি। লাইনচ্যুত হয়ে যায় ইঞ্জিনটি।

যদিও এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ বিহারের বক্সার জেলার রঘুনাথপুর স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে লাইনচ্যুত হয় ১২৫০৬ আনন্দ বিহার-কামাখ্যা নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেস। লাইনচ্যুত হয় ট্রেনের ২১টি কামরাই। রেলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে জানানো হয়, চালক ও কেবিনম্যানের ভুলের কারণেই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে। তড়িঘড়ি স্থানীয়দের সহায়তায় ৪৫ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন   পুজোর আগে ৭১ জন বন্দিকে মুক্তির সিদ্ধান্ত রাজ্যের, মিলল রাজ্যপালের সম্মতি

অন্যদিকে, এই দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেয় পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত হন বক্সারের জেলাশাসকও। ঘটনার যে সকল ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলিতে দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় বাসিন্দারাই যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। বহু আহত মানুষকে লাইনচ্যুত হওয়া বগি থেকে উদ্ধার করছেন। ভারতীয় রেলওয়ের তরফে মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বিহার সরকারের তরফেও মৃতদের পরিবারপিছু ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

About Post Author