সময় কলকাতা ডেস্ক , ২৩ ডিসেম্বর : বিতর্কের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে গেল ৩৫ তম উত্তর ২৪ পরগনা জেলা গ্রন্থমেলা। কার্যত বইমেলার উদ্বোধন জুড়েই ছিল উলোটপুরাণ ।বারাসাতে এই বইমেলা উদ্বোধন করার কথা ছিল নৃসিংহপ্রসাদ প্রসাদ ভাদুড়ীর অথচ বইমেলার উদ্বোধন করেন গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বিতর্ক জন্ম দেওয়ার রসদ রাখে। বইমেলার উদ্বোধনে বিদ্বানের চেয়ে রাজনীতিবিদ পেলেন অগ্রাধিকার। অথচ এরকম হওয়ার কথাই ছিল না।

জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগ ও স্থানীয় গ্রন্থাগার কৃত্যকের উদ্যোগে জেলা গ্রন্থমেলার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বারাসাত পুরসভা। জেলা বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জলন করার কথা ছিল গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর । উদ্বোধক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর নাম। তোরণ থেকে কার্ড সর্বত্র সেরকমই লেখা ছিল। বাস্তবে হ’ল ঠিক উল্টো । মঞ্চে প্রদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা করেন নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি । আবার ফিতে কেটে বইমেলার উদ্বোধন করেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। লেখক ও পুরানবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর উপস্থিতিতে ফিতে কাটতে দেখা যায় গ্রন্থাগার মন্ত্রীকে। আয়োজকরা নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীর আগমনে বিলম্ব হওয়ার কারণ দেখালেও গ্রন্থাগার মন্ত্রীর পেছন পেছন ঢুকতে দেখা যায় লেখক ও পুরানবিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ীকে, ফলে যেন কার্যত আয়োজকদের ত্রুটি ও রাজনীতিতেই এলোমেলো হয়ে পড়ল উত্তর ২৪ পরগনা বইমেলার উদ্বোধন।

আবগারি দুর্নীতি মামলায় ফের অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তলব ইডির
অন্যদিকে,এদিন বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মঞ্চে পাশাপাশি বসে থাকতে দেখা যায় চিরঞ্জিত চক্রবর্তী ও নারায়ণ গোস্বামীকে। সম্প্রতি নাম না করে অশোকনগরের বিধায়কের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন বারাসাতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী । “বারাসাতে মধু আছে তাই অনেকে আসতে চান ” মন্তব্য করে রীতিমত রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দেন চিরঞ্জিত”। সব মিলিয়ে উদ্যোক্তাদের ভ্রান্তিবিলাস ও রাজনীতির স্পর্শে বিতর্কিত এবং আলোচনার খোরাক হয়ে ওঠার রসদ দিল উত্তর চব্বিশ পরগনা বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।।


More Stories
পাথরের দেবতাকে পুজো না করে জীবন্ত দেবতা মোদি ও যোগীকে পুজো করার নিদান বিজেপি বিধায়কের
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
জয়শ্রীরাম বললেই রোগীর পাঁচশো টাকা ছাড়- বিতর্ক চিকিৎসকের সিদ্ধান্তে