Home » লালহলুদের কলিঙ্গ বিজয় ,ওড়িশায় লোবেরা বধ,১২ বছর পরে ট্রফি এল ঘরে

লালহলুদের কলিঙ্গ বিজয় ,ওড়িশায় লোবেরা বধ,১২ বছর পরে ট্রফি এল ঘরে

সময় কলকাতা ডেস্ক : কলিঙ্গ যুদ্ধে জয়। অবশেষে সমর্থকরা  ট্রফি ছুঁয়ে বলার স্পর্ধা পেলেন ‘জয় ইস্টবেঙ্গল”। জয়ধ্বনি  যেন উড়িষ্যা থেকে পৌঁছে গেল  বঙ্গে ।  একযুগ  ঘরে বড় কোনও ট্রফি ছিল না ইস্টবেঙ্গলের । ওড়িশার মাটিতে সের্জিও লোবেরার ছেলেদের ৩-২ গোলে হারিয়ে ঘরে কলিঙ্গ সুপার কাপ নিয়ে এল লাল হলুদ কোচ  কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেরা। নাটকীয় ঘাত প্রতিঘাতের ম্যাচে  জয়ের গোল করলেন লালহলুদের অধিনায়ক ক্লেটন।

বাজপাখির মত ছোঁ মেরে নরেন্দার গেহলোটের পা থেকে বল কেড়ে যখন ক্লেটন গোল করলেন তখন ১১১ মিনিট খেলা হয়ে গিয়েছে।আর এই গোল ফারাক গড়ে দিল দু দলের। তার আগে গোল করে ফারাক গড়ে দিয়েছিলেন মহেশ এবং ক্রেসপো এবং অবশ্যই এক বঙ্গ তনয়।  তাঁর নাম সৌভিক চক্রবর্তী। মোহনবাগান ম্যাচে হুগো বুমোসকে বোতলবন্দি করার পরে এদিন নিষ্ক্রিয় করলেন আহমেদ জাহুকে। অতিরিক্ত সময়ে তিনি যখন লাল কার্ড দেখলেন তখন বিষদাঁত ভেঙে গিয়েছে জাহুর । তবে এদিন ওড়িশার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়ে যায় মূর্তদা ফল লাল কার্ড দেখায়। রেফারিং নিয়ে একাধিক প্রশ্ন থেকেই গেল। ইস্টবেঙ্গলও একটি ন্যায্য পেনাল্টি থেকে দিন বঞ্চিত হল।

ম্যাচে এদিন সেরার পুরস্কার ক্রেসপো-কে দেওয়া হলেও আরেকজন আবার চোখে পড়লেন, তিনি টুর্নামেন্টের  সেরা ডিফেন্ডার হিজাজি মাহের। ক্লেটন, সৌভিক, নন্দা আর হিজাজি নিঃসন্দেহে বারো বছর পরে  ইস্টবেঙ্গলের ট্রফি জয়ের অন্যতম মূল স্থপতি। তবুও হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা যে কার্লেস  কুয়াদ্রাত।

এক গোল খেয়ে দু গোল দিতে পারে স্বপ্নের ইস্টবেঙ্গল। তবুও আশঙ্কা যেন কাটছিল না। লাল হলুদের স্বপ্নের সওদাগর কার্লেস কুয়াদ্রাত যে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধাতুতে গড়া। ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে ৯৭ মিনিটে গোল খেয়ে স্বপ্ন যখন ভেঙে যেতে বসেছিল তখন তিনি ১২০ মিনিটে ম্যাচ শেষ করার তাগিদ দেখালেন  ডিফেন্ডারকে তুলে  আক্রমণভাগের  ভিপি সুহেরকে নামিয়ে। ভাগ্য সাহসীর সঙ্গ দেয়। কার্লেস বাজিমাত করলেন। মোহনবাগানকে হারানোর পরে সের্জিও লোবেরাকে হারিয়ে লাল হলুদের সমর্থকদের এনে দিলেন ট্রফি জয়ের স্বাদ। সুপার কাপে কুয়াদ্রাত যখন বিজয় চুম্বন  করছিলেন তখন অনেক দিনের অনেক হিসেবের শোধবোধের সুখে বিভোর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকেরা।।

আরও পড়ুন ভারতকে ২৮ রানে হারিয়ে নাটকীয়ভাবে জয়ী ইংল্যান্ড

About Post Author